নারায়ণগঞ্জ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) সন্ধ্যা—নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভুয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে রাসেল ওরফে জিলানী এবং তাঁর স্ত্রী হাসিনাকে আটক করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত দম্পতিকে আটক করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব পেলে যাচাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ও তাঁর স্ত্রী কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর এলাকায় প্রচার শুরু করেন। নিজেদের ‘বিএনপি কর্মী’ পরিচয় দিয়ে ‘জিসান ট্রেডার্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করে সহজ-সরল নারীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিয়ে ভুয়া ফ্যামিলি কার্ড বিক্রি করেন তারা। পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে অন্তত ৩০০ পরিবারকে এসব কার্ড দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্তরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ওই কার্ড দেখালে প্রতি মাসে ১ হাজার ২৮৫ টাকায় চাল, ডাল, তেল, মাংসসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা যাবে। সোমবার সকালে কার্ডের বিপরীতে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও দুপুর পর্যন্ত কেউ পণ্য না পাওয়ায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরে ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং একত্রিত হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন। ভুক্তভোগী জরিনা খাতুন বলেন, সরকারিভাবে এসব কার্ড দেওয়া হচ্ছে বলে তাদের জানানো হয়েছিল, কিন্তু পণ্য না পাওয়ায় প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
স্থানীয়দের দাবি, রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দলের কেউ নন এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রশাসন জানিয়েছে, প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (সোমবার) সন্ধ্যা—নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভুয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে রাসেল ওরফে জিলানী এবং তাঁর স্ত্রী হাসিনাকে আটক করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত দম্পতিকে আটক করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব পেলে যাচাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ও তাঁর স্ত্রী কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর এলাকায় প্রচার শুরু করেন। নিজেদের ‘বিএনপি কর্মী’ পরিচয় দিয়ে ‘জিসান ট্রেডার্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করে সহজ-সরল নারীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে নিয়ে ভুয়া ফ্যামিলি কার্ড বিক্রি করেন তারা। পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে অন্তত ৩০০ পরিবারকে এসব কার্ড দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযুক্তরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ওই কার্ড দেখালে প্রতি মাসে ১ হাজার ২৮৫ টাকায় চাল, ডাল, তেল, মাংসসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনা যাবে। সোমবার সকালে কার্ডের বিপরীতে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও দুপুর পর্যন্ত কেউ পণ্য না পাওয়ায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরে ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং একত্রিত হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়েছে এবং ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন। ভুক্তভোগী জরিনা খাতুন বলেন, সরকারিভাবে এসব কার্ড দেওয়া হচ্ছে বলে তাদের জানানো হয়েছিল, কিন্তু পণ্য না পাওয়ায় প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
স্থানীয়দের দাবি, রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দলের কেউ নন এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে। তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রশাসন জানিয়েছে, প্রতারণার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন