ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মঙ্গলবার)—ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ঐতিহাসিক এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সকাল ৯টা থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে শুরু করেন।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নেতারা বিজয়ী হিসেবে সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করছেন। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সকাল থেকেই সংসদ ভবনের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা সংসদ সদস্যদের গাড়ি সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেক সদস্যের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করা হচ্ছে।
রেওয়াজ অনুযায়ী, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল হিসেবে প্রথমে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ফলে দলটি দীর্ঘ বিরতির পর এককভাবে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। দলটি ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন বর্জন এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছিল। এবারের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন নিয়ে সংসদে ফিরে এসেছে তারা।
শপথ গ্রহণের পর দুপুরে সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।
এদিকে, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। প্রবীণ ও তরুণ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত নতুন সংসদ দেশের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় কী ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (মঙ্গলবার)—ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ঐতিহাসিক এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সকাল ৯টা থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে শুরু করেন।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নেতারা বিজয়ী হিসেবে সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণে প্রবেশ করছেন। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সকাল থেকেই সংসদ ভবনের প্রধান প্রবেশদ্বারগুলোতে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা সংসদ সদস্যদের গাড়ি সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যেক সদস্যের পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করা হচ্ছে।
রেওয়াজ অনুযায়ী, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল হিসেবে প্রথমে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। ফলে দলটি দীর্ঘ বিরতির পর এককভাবে সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ড্রোন উড্ডয়ন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। দলটি ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন বর্জন এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছিল। এবারের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন নিয়ে সংসদে ফিরে এসেছে তারা।
শপথ গ্রহণের পর দুপুরে সংসদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।
এদিকে, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। প্রবীণ ও তরুণ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত নতুন সংসদ দেশের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় কী ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন