নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে মহিলাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত নেতার নাম রাসেল ওরফে জিলানী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের পরদিন রাসেল ও তার স্ত্রী হাসিনা মিলিতভাবে ‘জিসান ট্রেডার্স’ নামে ফ্যামিলি কার্ড বিক্রি করে। প্রতিটি কার্ডের মূল্য ছিল ৫০ টাকা। কার্ডধারীরা আশাপ্রকাশ করেছিলেন যে, প্রতিমাসে ১,২৮৫–১,৭২৫ টাকার পণ্য তারা কার্ড দেখিয়ে ক্রয় করতে পারবে।
তবে সোমবার কার্ডধারীরা পণ্য পাওয়ার জন্য সকাল থেকে অপেক্ষা করলেও তা না পেয়ে রুষ্ট হয়ে একত্রিতভাবে জিলানীর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর এলাকার প্রায় ৩০০ পরিবার কার্ড ক্রয় করেছেন।
জুলেখা বেগম নামের একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের বলা হয়েছে সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। আমরা সকাল ১০টা থেকে অপেক্ষা করছি, কিন্তু এখন ফোনও ধরছে না।”
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু মন্তব্য করেছেন, নির্বাচনের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি বলেন, “এ ধরনের প্রতারণার সাথে যারা জড়িত, প্রশাসনের উচিত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।”
নরায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে মহিলাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত নেতার নাম রাসেল ওরফে জিলানী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের পরদিন রাসেল ও তার স্ত্রী হাসিনা মিলিতভাবে ‘জিসান ট্রেডার্স’ নামে ফ্যামিলি কার্ড বিক্রি করে। প্রতিটি কার্ডের মূল্য ছিল ৫০ টাকা। কার্ডধারীরা আশাপ্রকাশ করেছিলেন যে, প্রতিমাসে ১,২৮৫–১,৭২৫ টাকার পণ্য তারা কার্ড দেখিয়ে ক্রয় করতে পারবে।
তবে সোমবার কার্ডধারীরা পণ্য পাওয়ার জন্য সকাল থেকে অপেক্ষা করলেও তা না পেয়ে রুষ্ট হয়ে একত্রিতভাবে জিলানীর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর এলাকার প্রায় ৩০০ পরিবার কার্ড ক্রয় করেছেন।
জুলেখা বেগম নামের একজন ভুক্তভোগী বলেন, “আমাদের বলা হয়েছে সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। আমরা সকাল ১০টা থেকে অপেক্ষা করছি, কিন্তু এখন ফোনও ধরছে না।”
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু মন্তব্য করেছেন, নির্বাচনের ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি বলেন, “এ ধরনের প্রতারণার সাথে যারা জড়িত, প্রশাসনের উচিত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।”
নরায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন