ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার আন্ধারিয়াপাড়া গ্রামে একটি মাছের খামার থেকে নিখোঁজ এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলেরা মাছ ধরার সময় জালে আবদুল্লাহ হেল ফুয়াদ (৯) নামে ওই শিশুর মরদেহ উঠে আসে।
স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, ফুয়াদ ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ–এর চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিনের ছোট ভাই হুমায়ুন কবিরের ছেলে। মাদ্রাসায় পড়াশোনার সুবাদে সে ময়মনসিংহ শহরে পরিবারের সঙ্গে থাকত। দুই দিন আগে সে নিজ গ্রাম আন্ধারিয়াপাড়ায় বাড়িতে আসে। সোমবার সকাল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করছিলেন।
দুপুরে বাড়ির পাশের মাছের খামারে জেলেরা জাল ফেললে শিশুটির মরদেহ জালে উঠে আসে। পরে বেলা ১টা ১০ মিনিটে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শিশু বিকেলে পরিবারের সঙ্গে শহরে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।
শিশুটির চাচা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে খেলতে গিয়ে কোনো একসময় পানিতে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাসানুল হোসাইন জানিয়েছেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ফুলবাড়িয়া থানা–র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার আন্ধারিয়াপাড়া গ্রামে একটি মাছের খামার থেকে নিখোঁজ এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলেরা মাছ ধরার সময় জালে আবদুল্লাহ হেল ফুয়াদ (৯) নামে ওই শিশুর মরদেহ উঠে আসে।
স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, ফুয়াদ ফুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ–এর চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিনের ছোট ভাই হুমায়ুন কবিরের ছেলে। মাদ্রাসায় পড়াশোনার সুবাদে সে ময়মনসিংহ শহরে পরিবারের সঙ্গে থাকত। দুই দিন আগে সে নিজ গ্রাম আন্ধারিয়াপাড়ায় বাড়িতে আসে। সোমবার সকাল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করছিলেন।
দুপুরে বাড়ির পাশের মাছের খামারে জেলেরা জাল ফেললে শিশুটির মরদেহ জালে উঠে আসে। পরে বেলা ১টা ১০ মিনিটে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। শিশু বিকেলে পরিবারের সঙ্গে শহরে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল।
শিশুটির চাচা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ধারণা করা হচ্ছে খেলতে গিয়ে কোনো একসময় পানিতে পড়ে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে। ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাসানুল হোসাইন জানিয়েছেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এটি পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
ফুলবাড়িয়া থানা–র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন