ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে এনসিপির প্রতিনিধিদল যমুনায়


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে এনসিপির প্রতিনিধিদল যমুনায়

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর অবশেষে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় পৌঁছেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিদল। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় যমুনায় প্রবেশ করেছেন এনসিপির নেতারা।

প্রতিনিধিদলে রয়েছেন- দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মূসা, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন ও জাবেদ রাসিন।

এর আগে, সোমবার দুপুরে এনসিপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, এনসিপির ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল আজ সন্ধ্যা ৬টায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে যমুনায় যাবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘ সাত মাস ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে 'জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫' স্বাক্ষরিত হয়। সেদিন ২৪টি দল সনদে সই করে, পরে আরও একটি দল সই করেছে। তবে এনসিপি জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি, পরেও আর সনদে সই করেনি।

এর আগে, গত ১৬ অক্টোবর জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর না করলে পরবর্তী সময়ে সই করার সুযোগ থাকবে।

এ সময় সনদে সই না করার বিষয়ে তখন সংবাদ সম্মেলন করে এনসিপি তিনটি দাবি জানিয়েছিল। এক. জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ ও এই আদেশ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। দুই. জনগণ গণভোটে সনদের পক্ষে রায় দিলে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কার্যকারিতা থাকবে না। তিন. গণভোটের রায় অনুযায়ী আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কার করা সংবিধানের নাম হবে 'বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬'।

পরে আর সনদে সই করেনি এনসিপি। পরবর্তীতে গত ১৩ নভেম্বর 'জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫' জারি করেন রাষ্ট্রপতি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি এই আদেশের অধীনেই জুলাই সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট হয়েছে। সেখানে 'হ্যাঁ' ভোট জিতেছে। গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ। এর মধ্যে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন আর 'না' ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে এনসিপির প্রতিনিধিদল যমুনায়

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর অবশেষে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় পৌঁছেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিনিধিদল। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় যমুনায় প্রবেশ করেছেন এনসিপির নেতারা।

প্রতিনিধিদলে রয়েছেন- দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মূসা, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন ও জাবেদ রাসিন।

এর আগে, সোমবার দুপুরে এনসিপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, এনসিপির ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল আজ সন্ধ্যা ৬টায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করতে যমুনায় যাবে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দীর্ঘ সাত মাস ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে 'জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫' স্বাক্ষরিত হয়। সেদিন ২৪টি দল সনদে সই করে, পরে আরও একটি দল সই করেছে। তবে এনসিপি জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি, পরেও আর সনদে সই করেনি।

এর আগে, গত ১৬ অক্টোবর জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগের দিন এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর না করলে পরবর্তী সময়ে সই করার সুযোগ থাকবে।

এ সময় সনদে সই না করার বিষয়ে তখন সংবাদ সম্মেলন করে এনসিপি তিনটি দাবি জানিয়েছিল। এক. জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ ও এই আদেশ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। দুই. জনগণ গণভোটে সনদের পক্ষে রায় দিলে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কার্যকারিতা থাকবে না। তিন. গণভোটের রায় অনুযায়ী আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কার করা সংবিধানের নাম হবে 'বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬'।

পরে আর সনদে সই করেনি এনসিপি। পরবর্তীতে গত ১৩ নভেম্বর 'জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫' জারি করেন রাষ্ট্রপতি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি এই আদেশের অধীনেই জুলাই সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট হয়েছে। সেখানে 'হ্যাঁ' ভোট জিতেছে। গণভোটে ভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ। এর মধ্যে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন আর 'না' ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ