পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় চলতি মৌসুমে মুগ ডাল চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে কৃষকদের মধ্যে। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন জুড়ে পুরোদমে চলছে এই ডালের আবাদ। চলতি মৌসুমে উপজেলায় মুগ ডাল চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে, যা স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অনুকূল আবহাওয়া, তুলনামূলক কম খরচ এবং স্বল্প সময়ে ফলন পাওয়ায় কৃষকরা মুগ ডাল চাষে ঝুঁকছেন। ধান কাটার পর পতিত পড়ে থাকা জমি কাজে লাগিয়ে অনেক কৃষক অতিরিক্ত আয়ের আশায় এ ফসলের আবাদ করছেন। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ জমিতে বপন শেষ হয়েছে এবং কোথাও কোথাও গাছও ভালোভাবে বেড়ে উঠছে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, মুগ ডাল মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়ক হওয়ায় পরবর্তী ফসলের উৎপাদনও ভালো হয়। এছাড়া বাজারে ডালের চাহিদা ও দাম তুলনামূলক ভালো থাকায় কৃষকরা লাভবান হওয়ার আশা করছেন। সময়মতো বৃষ্টি এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার উৎপাদন সন্তোষজনক হবে বলেও তারা মনে করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার মুগ ডালের আবাদ বেড়েছে। অনেক নতুন কৃষকও এ চাষে যুক্ত হয়েছেন। তাদের মতে, অন্যান্য ফসলের তুলনায় ঝুঁকি কম এবং পরিচর্যাও সহজ হওয়ায় মুগ ডাল এখন লাভজনক ফসলে পরিণত হয়েছে।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক আবুল কালাম হাওলাদার, গোলাম মোস্তফা, রাজাখালী গ্রামের আবদুল মজিদ হাওলাদার জানান, প্রয়োজনীয় বীজ ও সার সহজলভ্য হওয়ায় আবাদে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও তদারকি কামনা করেছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে দুমকিতে মুগ ডাল উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় চলতি মৌসুমে মুগ ডাল চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে কৃষকদের মধ্যে। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন জুড়ে পুরোদমে চলছে এই ডালের আবাদ। চলতি মৌসুমে উপজেলায় মুগ ডাল চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে, যা স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অনুকূল আবহাওয়া, তুলনামূলক কম খরচ এবং স্বল্প সময়ে ফলন পাওয়ায় কৃষকরা মুগ ডাল চাষে ঝুঁকছেন। ধান কাটার পর পতিত পড়ে থাকা জমি কাজে লাগিয়ে অনেক কৃষক অতিরিক্ত আয়ের আশায় এ ফসলের আবাদ করছেন। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ জমিতে বপন শেষ হয়েছে এবং কোথাও কোথাও গাছও ভালোভাবে বেড়ে উঠছে।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, মুগ ডাল মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়ক হওয়ায় পরবর্তী ফসলের উৎপাদনও ভালো হয়। এছাড়া বাজারে ডালের চাহিদা ও দাম তুলনামূলক ভালো থাকায় কৃষকরা লাভবান হওয়ার আশা করছেন। সময়মতো বৃষ্টি এবং বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার উৎপাদন সন্তোষজনক হবে বলেও তারা মনে করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার মুগ ডালের আবাদ বেড়েছে। অনেক নতুন কৃষকও এ চাষে যুক্ত হয়েছেন। তাদের মতে, অন্যান্য ফসলের তুলনায় ঝুঁকি কম এবং পরিচর্যাও সহজ হওয়ায় মুগ ডাল এখন লাভজনক ফসলে পরিণত হয়েছে।
শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক আবুল কালাম হাওলাদার, গোলাম মোস্তফা, রাজাখালী গ্রামের আবদুল মজিদ হাওলাদার জানান, প্রয়োজনীয় বীজ ও সার সহজলভ্য হওয়ায় আবাদে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তবে পোকামাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও তদারকি কামনা করেছেন তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরান হোসেন বলেন, কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দিতে মাঠ পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরিদর্শন করছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে দুমকিতে মুগ ডাল উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন