চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুইজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাবেক যুবলীগ নেতা ও বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত শরিফ উদ্দিন ওরফে দুলাল (৪০)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে কালাম মিয়ার পিতা চাঁদ মোহাম্মদের বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুই কিশোর নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি টিনশেড কক্ষের দুই পাশের দেয়াল ধসে পড়ে এবং চালের টিন উড়ে আশপাশে ছড়িয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতরা হলেন জিহাদ (১৭), পিতা মনির, শিবগঞ্জ থানাধীন ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের কুমড়াপাড়া রামদেবপুর হাট এলাকার বাসিন্দা এবং আল আমিন (১৭), পিতা মোস্তাফিজ হোসেন, সদর মডেল থানাধীন রানীহাটি ইউনিয়নের শামাস মোড় এলাকার বাসিন্দা।
ঘটনার পর জেলা পুলিশ, সিআইডি, র্যাব ও বোম ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে শরিফ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পিতা মৃত মকবুল হোসেন। স্থায়ী ঠিকানা চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রাম। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন নতুন বিলশিমলা এলাকায় বসবাস করছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামে ককটেল তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুইজন নিহত ও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সাবেক যুবলীগ নেতা ও বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত শরিফ উদ্দিন ওরফে দুলাল (৪০)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে কালাম মিয়ার পিতা চাঁদ মোহাম্মদের বাড়িতে ককটেল তৈরির সময় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই দুই কিশোর নিহত হন এবং আরও তিনজন গুরুতর আহত হন। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি টিনশেড কক্ষের দুই পাশের দেয়াল ধসে পড়ে এবং চালের টিন উড়ে আশপাশে ছড়িয়ে যায়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এ স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতরা হলেন জিহাদ (১৭), পিতা মনির, শিবগঞ্জ থানাধীন ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের কুমড়াপাড়া রামদেবপুর হাট এলাকার বাসিন্দা এবং আল আমিন (১৭), পিতা মোস্তাফিজ হোসেন, সদর মডেল থানাধীন রানীহাটি ইউনিয়নের শামাস মোড় এলাকার বাসিন্দা।
ঘটনার পর জেলা পুলিশ, সিআইডি, র্যাব ও বোম ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে শরিফ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার পিতা মৃত মকবুল হোসেন। স্থায়ী ঠিকানা চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রাম। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন নতুন বিলশিমলা এলাকায় বসবাস করছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন