ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

নির্বাচনে বামপন্থী ১৮২ প্রার্থীর মধ্যে ১৮০ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনে বামপন্থী ১৮২ প্রার্থীর মধ্যে ১৮০ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভরাডুবির মুখে পড়েছে বামপন্থী দলগুলো। দুই জোটে বিভক্ত হয়ে ১৮২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এর মধ্যে ১৮০টিতেই তাদের প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব আসনে বাম দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার মাত্র ০.৩৬ শতাংশ।

নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সঙ্গে ছিল তিনটি বামঘরানার দল- নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলন। পরে নাগরিক ঐক্য আলাদাভাবে নির্বাচন করে। এই তিন দলের মোট ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে কেবল গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জয়লাভ করেন। অন্যরা কেউ জামানত রক্ষা করতে পারেননি। এসব আসনে দলগুলোর মোট ভোটের হার ছিল ০.১৯ শতাংশ।

বিএনপির বাইরে ১০ বাম দলের জোট 'গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট' নিবন্ধিত চারটি দলের প্রতীকে ১৪৭টি আসনে নির্বাচন করে। এদের মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ৬৩ আসনে ০.০৮ শতাংশ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ৩৬ আসনে ০.০৫ শতাংশ, বাসদ (মার্কসবাদী) ৩৩ আসনে ০.০২ শতাংশ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ১৫ আসনে ০.০২ শতাংশ ভোট পায়। সব মিলিয়ে এই জোটের প্রাপ্ত ভোট ০.১৭ শতাংশ।

জোটের শীর্ষ নেতাদের ফলাফলও ছিল হতাশাজনক। সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন নরসিংদী-৪ আসনে পান মাত্র ৮১৭ ভোট, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ক্বাফি রতন কুমিল্লা-৫ আসনে ১৮৪ ভোট এবং বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান পঞ্চগড়-১ আসনে পান ৩ হাজার ৯ ভোট। তাদের কেউই জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

তবে ব্যতিক্রম ছিলেন বরিশাল-৫ আসনে বাসদের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী। তিনি ২২ হাজার ৪৮৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হলেও প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত জামানত রক্ষা করতে পারেননি। জোটের অন্য কোনো প্রার্থী পাঁচ হাজার ভোটও পাননি।

এদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটভুক্ত বাম দলগুলোর একটি বড় অংশ এবারের নির্বাচনে অংশ নেয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


নির্বাচনে বামপন্থী ১৮২ প্রার্থীর মধ্যে ১৮০ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত

প্রকাশের তারিখ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভরাডুবির মুখে পড়েছে বামপন্থী দলগুলো। দুই জোটে বিভক্ত হয়ে ১৮২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এর মধ্যে ১৮০টিতেই তাদের প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব আসনে বাম দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের হার মাত্র ০.৩৬ শতাংশ।

নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সঙ্গে ছিল তিনটি বামঘরানার দল- নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণসংহতি আন্দোলন। পরে নাগরিক ঐক্য আলাদাভাবে নির্বাচন করে। এই তিন দলের মোট ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে কেবল গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জয়লাভ করেন। অন্যরা কেউ জামানত রক্ষা করতে পারেননি। এসব আসনে দলগুলোর মোট ভোটের হার ছিল ০.১৯ শতাংশ।

বিএনপির বাইরে ১০ বাম দলের জোট 'গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট' নিবন্ধিত চারটি দলের প্রতীকে ১৪৭টি আসনে নির্বাচন করে। এদের মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ৬৩ আসনে ০.০৮ শতাংশ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ৩৬ আসনে ০.০৫ শতাংশ, বাসদ (মার্কসবাদী) ৩৩ আসনে ০.০২ শতাংশ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ১৫ আসনে ০.০২ শতাংশ ভোট পায়। সব মিলিয়ে এই জোটের প্রাপ্ত ভোট ০.১৭ শতাংশ।

জোটের শীর্ষ নেতাদের ফলাফলও ছিল হতাশাজনক। সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন নরসিংদী-৪ আসনে পান মাত্র ৮১৭ ভোট, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল ক্বাফি রতন কুমিল্লা-৫ আসনে ১৮৪ ভোট এবং বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান পঞ্চগড়-১ আসনে পান ৩ হাজার ৯ ভোট। তাদের কেউই জামানত রক্ষা করতে পারেননি।

তবে ব্যতিক্রম ছিলেন বরিশাল-৫ আসনে বাসদের প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী। তিনি ২২ হাজার ৪৮৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় হলেও প্রয়োজনীয় ভোটের সীমা অতিক্রম করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত জামানত রক্ষা করতে পারেননি। জোটের অন্য কোনো প্রার্থী পাঁচ হাজার ভোটও পাননি।

এদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটভুক্ত বাম দলগুলোর একটি বড় অংশ এবারের নির্বাচনে অংশ নেয়নি।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ