মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গত ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাতে সংঘটিত হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
আহতদের মধ্যে বাবলু নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে মুজিবনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। অপর যুবকও আহত হলেও তার অবস্থা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। আহতরা অভিযোগ করেছেন, তারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে যুক্ত এবং এবারের নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ায় হামলার শিকার হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো, এবং তার নেতৃত্বে মজনু রহমান, দেলোয়ার, ইজরাল, হিরন, রাকিব, ভাষান, হাসান ও মনি প্রভৃতি ব্যক্তিরা সহিংসতায় জড়িত ছিলেন। হামলায় বাবলুর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। জুলফিকার আলী ভুট্টো অবশ্য দাবি করেছেন, এটি পূর্বের একটি তুচ্ছ ঘটনায় জড়িত থাকার ফল এবং ভোট কেন্দ্রীয় বিষয় নয়।
মুজিবনগর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তিনি আরও জানান, আহত ব্যক্তির পরিবার লিখিত অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তাদের লক্ষ্য ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে পৌঁছানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা। এ ঘটনায় মেহেরপুরের ভোটার ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত কয়েক দিনে মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভোট কেন্দ্র সংক্রান্ত সহিংসতা, ভোটারদের বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন এ ধরনের পরিস্থিতি প্রতিরোধে তৎপর রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার বিশ্বনাথপুর গ্রামে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গত ১৩ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাতে সংঘটিত হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
আহতদের মধ্যে বাবলু নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে মুজিবনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। অপর যুবকও আহত হলেও তার অবস্থা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। আহতরা অভিযোগ করেছেন, তারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে যুক্ত এবং এবারের নির্বাচনে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ায় হামলার শিকার হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো, এবং তার নেতৃত্বে মজনু রহমান, দেলোয়ার, ইজরাল, হিরন, রাকিব, ভাষান, হাসান ও মনি প্রভৃতি ব্যক্তিরা সহিংসতায় জড়িত ছিলেন। হামলায় বাবলুর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। জুলফিকার আলী ভুট্টো অবশ্য দাবি করেছেন, এটি পূর্বের একটি তুচ্ছ ঘটনায় জড়িত থাকার ফল এবং ভোট কেন্দ্রীয় বিষয় নয়।
মুজিবনগর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তিনি আরও জানান, আহত ব্যক্তির পরিবার লিখিত অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তাদের লক্ষ্য ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে পৌঁছানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা। এ ঘটনায় মেহেরপুরের ভোটার ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত কয়েক দিনে মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় ভোট কেন্দ্র সংক্রান্ত সহিংসতা, ভোটারদের বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন এ ধরনের পরিস্থিতি প্রতিরোধে তৎপর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন