ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ফরিদপুরের সালথা (ফরিদপুর‑২) কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালীন কারচুপি ও প্রভাব বিস্তার চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন গট্টি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কালাম মাস্টার, মো. রবিউল মিয়া এবং আমজাদ হোসেন। স্থানীয়দের মতে, কালাম মাস্টার ও রবিউল মিয়া বিএনপি সমর্থক, আর আমজাদ হোসেন ১১‑দলীয় জোটের শরিক দলের সমর্থক।
স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আটককৃতরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের বাধা প্রদান ও প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছিলেন। ঘটনাটি নজরে আসার পর সেনাবাহিনী দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেছে। বর্তমানে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
দেশের অন্যান্য কেন্দ্র থেকেও নির্বাচনী অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে। আশুলিয়ায় ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী ১৩ জনকে আটক করেছে। সিরাজগঞ্জ‑২ থেকে জানা গেছে, বিএনপি সমর্থকরা কিছু স্থানে অর্থসহ আটক হয়েছেন এবং জামায়াত অভিযোগ করেছে এটি ‘ছিনতাই’। ঠাকুরগাঁও‑সৈদপুরে ভোট কিনতে নগদ বিতরণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। রাজবাড়ীতে নির্বাচনী প্রভাব বিস্তার ও নাশকতার চেষ্টা করার অভিযোগে একজনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ভোটের আগে সতর্কবার্তা দিয়েছে যে ভোট কিনতে বা প্রভাব বিস্তার করতে গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটের দিন সকাল থেকেই বিপজ্জনক কেন্দ্রগুলোতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাব ভোট কেন্দ্রগুলোতে মোতায়েন রয়েছে যাতে ভোটারদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা যায়।
সালথা কেন্দ্রে আটক ও অন্যান্য নির্বাচনী অনিয়মের ঘটনা দেশের নির্বাচনী পরিবেশকে উষ্ণ ও সতর্কতার সঙ্গে পরিচালিত করার প্রমাণ দিচ্ছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের দিন সতর্ক ও সক্রিয় অবস্থানে থেকে অন্যায়, কারচুপি ও প্রভাব বিস্তার প্রতিরোধে জোরদার নজরদারি চালাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ফরিদপুরের সালথা (ফরিদপুর‑২) কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালীন কারচুপি ও প্রভাব বিস্তার চেষ্টার অভিযোগে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন গট্টি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কালাম মাস্টার, মো. রবিউল মিয়া এবং আমজাদ হোসেন। স্থানীয়দের মতে, কালাম মাস্টার ও রবিউল মিয়া বিএনপি সমর্থক, আর আমজাদ হোসেন ১১‑দলীয় জোটের শরিক দলের সমর্থক।
স্থানীয় প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, আটককৃতরা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের বাধা প্রদান ও প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করছিলেন। ঘটনাটি নজরে আসার পর সেনাবাহিনী দ্রুত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেছে। বর্তমানে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
দেশের অন্যান্য কেন্দ্র থেকেও নির্বাচনী অনিয়মের খবর পাওয়া গেছে। আশুলিয়ায় ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা প্রতিরোধে সেনাবাহিনী ১৩ জনকে আটক করেছে। সিরাজগঞ্জ‑২ থেকে জানা গেছে, বিএনপি সমর্থকরা কিছু স্থানে অর্থসহ আটক হয়েছেন এবং জামায়াত অভিযোগ করেছে এটি ‘ছিনতাই’। ঠাকুরগাঁও‑সৈদপুরে ভোট কিনতে নগদ বিতরণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। রাজবাড়ীতে নির্বাচনী প্রভাব বিস্তার ও নাশকতার চেষ্টা করার অভিযোগে একজনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ভোটের আগে সতর্কবার্তা দিয়েছে যে ভোট কিনতে বা প্রভাব বিস্তার করতে গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটের দিন সকাল থেকেই বিপজ্জনক কেন্দ্রগুলোতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাব ভোট কেন্দ্রগুলোতে মোতায়েন রয়েছে যাতে ভোটারদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা যায়।
সালথা কেন্দ্রে আটক ও অন্যান্য নির্বাচনী অনিয়মের ঘটনা দেশের নির্বাচনী পরিবেশকে উষ্ণ ও সতর্কতার সঙ্গে পরিচালিত করার প্রমাণ দিচ্ছে। প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের দিন সতর্ক ও সক্রিয় অবস্থানে থেকে অন্যায়, কারচুপি ও প্রভাব বিস্তার প্রতিরোধে জোরদার নজরদারি চালাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন