জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)‑র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও দক্ষিণাঞ্চলীয় সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু সাম্প্রতিক সময়ে সাইবার বুলিং ও অনলাইন হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন‑কে সামনে রেখে তিনি জামায়াত‑সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালানোর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুলোতে তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেছেন।
ডা. মিতু জানান, নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পরই বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তীব্র সমালোচনা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা পরিকল্পিতভাবে তাকে নানাভাবে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
এনসিপি নেত্রী জানান, অনলাইনে ছড়ানো হেনস্তার মাত্রা পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি কেবল ব্যক্তিগতভাবে তাকে টার্গেট করেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি চরিত্রহননমূলক প্রচারণা হিসেবেও চলছে।
এদিকে ঝালকাঠি‑১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াত‑সমর্থিত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক‑এর পক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চেয়েছেন, যা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
তবে অনলাইন আক্রমণের মাত্রা শুধু সমালোচনাতেই সীমাবদ্ধ হয়নি; এর আগেও ডা. মিতুকে হত্যার হুমকির মতো সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি নিজেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত এক সামাজিক পোস্টে তিনি এই ধরনের হুমকির কথাও উল্লেখ করেন, যা রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও নিরাপত্তার উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এবারের ভোটেও অংশ নেওয়ার পর ডা. মিতু জানান, তিনি ‘নারী নিপীড়কের বিপক্ষে’ ভোট দিয়েছেন এবং গণভোটে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
এদিকে এনসিপির অন্যান্য নেতা‑কর্মীরাও সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। দলীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, যদি ভোটকেন্দ্র দখল বা কোনো অনিয়ম হয়, তাহলে তারা তা চুপচাপ সহ্য করবে না যা রাজনৈতিক পরিবেশে দলটির দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অনলাইন হেনস্তা এবং সাইবার বুলিংয়ের বৃদ্ধি শুধু ব্যক্তিগত স্তরে ক্ষতি করছে না, বরং নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এটি শুধু এক নেত্রীকে টার্গেট করেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং অনলাইন সামাজিক অস্থিরতা ও বিতর্কের একটি বড় অংশে রূপ নিচ্ছে, যা রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন নেতাকেও প্রভাবিত করছে।
ডা. মাহমুদা আলম মিতু সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যে বিভিন্ন অনলাইন হেনস্তা‑আক্রমণের শিকার হয়েছেন এবং তার রাজনৈতিক অবস্থান, সমর্থন ও নির্বাচনী কর্মকাণ্ড তাকে এক বিতর্কিত অবস্থানে এনেছে। এর মধ্যেই তিনি মাঠে ভোটারদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা অব্যাহত রেখেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)‑র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও দক্ষিণাঞ্চলীয় সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু সাম্প্রতিক সময়ে সাইবার বুলিং ও অনলাইন হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন‑কে সামনে রেখে তিনি জামায়াত‑সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালানোর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুলোতে তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেছেন।
ডা. মিতু জানান, নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার পরই বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তীব্র সমালোচনা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা পরিকল্পিতভাবে তাকে নানাভাবে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
এনসিপি নেত্রী জানান, অনলাইনে ছড়ানো হেনস্তার মাত্রা পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি কেবল ব্যক্তিগতভাবে তাকে টার্গেট করেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একটি চরিত্রহননমূলক প্রচারণা হিসেবেও চলছে।
এদিকে ঝালকাঠি‑১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে তিনি দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াত‑সমর্থিত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক‑এর পক্ষে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চেয়েছেন, যা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
তবে অনলাইন আক্রমণের মাত্রা শুধু সমালোচনাতেই সীমাবদ্ধ হয়নি; এর আগেও ডা. মিতুকে হত্যার হুমকির মতো সঙ্কটজনক পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি নিজেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত এক সামাজিক পোস্টে তিনি এই ধরনের হুমকির কথাও উল্লেখ করেন, যা রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও নিরাপত্তার উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এবারের ভোটেও অংশ নেওয়ার পর ডা. মিতু জানান, তিনি ‘নারী নিপীড়কের বিপক্ষে’ ভোট দিয়েছেন এবং গণভোটে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
এদিকে এনসিপির অন্যান্য নেতা‑কর্মীরাও সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। দলীয় মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, যদি ভোটকেন্দ্র দখল বা কোনো অনিয়ম হয়, তাহলে তারা তা চুপচাপ সহ্য করবে না যা রাজনৈতিক পরিবেশে দলটির দৃঢ় অবস্থানের প্রতিফলন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অনলাইন হেনস্তা এবং সাইবার বুলিংয়ের বৃদ্ধি শুধু ব্যক্তিগত স্তরে ক্ষতি করছে না, বরং নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এটি শুধু এক নেত্রীকে টার্গেট করেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং অনলাইন সামাজিক অস্থিরতা ও বিতর্কের একটি বড় অংশে রূপ নিচ্ছে, যা রাজনৈতিক কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন নেতাকেও প্রভাবিত করছে।
ডা. মাহমুদা আলম মিতু সাম্প্রতিক নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যে বিভিন্ন অনলাইন হেনস্তা‑আক্রমণের শিকার হয়েছেন এবং তার রাজনৈতিক অবস্থান, সমর্থন ও নির্বাচনী কর্মকাণ্ড তাকে এক বিতর্কিত অবস্থানে এনেছে। এর মধ্যেই তিনি মাঠে ভোটারদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা অব্যাহত রেখেছেন।

আপনার মতামত লিখুন