ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি সংবিধান সংশোধন বিষয়ক গণভোটের সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এদিন গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার লতিফপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একটি নজরকাড়া দৃশ্য দেখা যায়। ১১০ বছর বয়সী শতবর্ষী সূর্যবানু দাদি নাতি সুলাইমানের কোলে চড়ে ভোট দিতে আসেন।
ভোট কেন্দ্রের প্রবেশদ্বারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অন্যান্য ভোটাররা তাকে সহায়তা করেন। কেন্দ্রে উপস্থিত সবাই তাকে সালাম জানিয়ে শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। বুথে প্রবেশ করে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদানের পর দাদি বলেন, “আমি আমার ছেলের বিজয় এবং দেশের মানুষের কল্যাণ কামনা করি।” তার সাহসী অংশগ্রহণ ভোট কেন্দ্রে অন্য ভোটারদেরও অনুপ্রাণিত করেছে।
দেশের প্রায় ১২ কোটি ৭৬ লাখ নিবন্ধিত ভোটার আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংবিধান সংশোধন বিষয়ক গণভোট, যেখানে ভোটাররা “হ্যাঁ” বা “না” ভোট প্রদান করছেন।
এদিনের ভোট কেন্দ্রে শতবর্ষী দাদির অংশগ্রহণ শুধুই নজরকাড়া নয়, এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবীণ ভোটারদের দায়িত্বশীলতা এবং সকল বয়সের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। কেন্দ্রে উপস্থিত অন্য ভোটাররা বলেন, “এমন দৃশ্য দেখে আমাদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে যায়।”
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি সকালের দিকে বেশ ভাল। প্রবীণ ভোটার থেকে শুরু করে তরুণরা সক্রিয়ভাবে ভোট কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি সংবিধান সংশোধন বিষয়ক গণভোটের সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। এদিন গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার লতিফপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একটি নজরকাড়া দৃশ্য দেখা যায়। ১১০ বছর বয়সী শতবর্ষী সূর্যবানু দাদি নাতি সুলাইমানের কোলে চড়ে ভোট দিতে আসেন।
ভোট কেন্দ্রের প্রবেশদ্বারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অন্যান্য ভোটাররা তাকে সহায়তা করেন। কেন্দ্রে উপস্থিত সবাই তাকে সালাম জানিয়ে শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন। বুথে প্রবেশ করে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট প্রদানের পর দাদি বলেন, “আমি আমার ছেলের বিজয় এবং দেশের মানুষের কল্যাণ কামনা করি।” তার সাহসী অংশগ্রহণ ভোট কেন্দ্রে অন্য ভোটারদেরও অনুপ্রাণিত করেছে।
দেশের প্রায় ১২ কোটি ৭৬ লাখ নিবন্ধিত ভোটার আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংবিধান সংশোধন বিষয়ক গণভোট, যেখানে ভোটাররা “হ্যাঁ” বা “না” ভোট প্রদান করছেন।
এদিনের ভোট কেন্দ্রে শতবর্ষী দাদির অংশগ্রহণ শুধুই নজরকাড়া নয়, এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবীণ ভোটারদের দায়িত্বশীলতা এবং সকল বয়সের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। কেন্দ্রে উপস্থিত অন্য ভোটাররা বলেন, “এমন দৃশ্য দেখে আমাদের মধ্যেও দায়িত্ববোধ আরও বেড়ে যায়।”
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি সকালের দিকে বেশ ভাল। প্রবীণ ভোটার থেকে শুরু করে তরুণরা সক্রিয়ভাবে ভোট কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে উদ্দীপিত করছে।

আপনার মতামত লিখুন