ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ ও সমান্তরাল গণভোটের এই দিনে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, “আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান, নতুন স্বপ্নের শুরু।”
ড. ইউনূস বলেন, দীর্ঘদিনের দুঃস্বপ্নময় অতীতকে আমরা ত্যাগ করেছি এবং আজ থেকে দেশবাসী নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, আজ যেন এক ধরনের “জন্মদিন” যেখানে সারা দেশ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান করছে এবং নতুন সম্ভাবনার সূচনা ঘটছে।
ভোটের পর ড. ইউনূস সংবাদমাধ্যমের সামনে আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ায় শুধু ভোট দেওয়া নয়, বরং সারা দেশের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। তিনি সবাইকে গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ভোটই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণে সবচেয়ে বড় শক্তি।
এ সময় তিনি দেশবাসীকে ঈদ মোবারক জানিয়ে বলেন, “যেসব দুঃস্বপ্নময় অতীত ছিল, সেসবকে আমরা সম্পূর্ণরূপে বর্জন করলাম। আজ থেকে আমরা প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি করার সুযোগ পেলাম। আজ সারাদিনব্যাপী জাতির সবাই মিলে উৎসব করি।”
অন্যদিকে আজ দেশের বিভিন্ন অংশেও ভোটগ্রহণ উৎসবমুখরভাবে শুরু হয়েছে। যেমন মৌলভীবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে সকাল থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান কার্যক্রম চলেছে, যেখানে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন।
এছাড়া ভোটগ্রহণের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কিছু প্রতিনিধিও মন্তব্য করেছেন। বিএনপি প্রার্থী নাদিরা আক্তার মিঠু চৌধুরী বলেন, “ঈদের মতো খুশি হয়ে মানুষ ভোট দিচ্ছে,” দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো ভোটাররা সেই খুশির প্রমাণ দিচ্ছে, তবে তিনি বলেন ভোটারদের সুবিধার্থে বুথ বাড়ানো প্রয়োজন।
আজকের এই ভোটগ্রহণকে দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ দেশব্যাপী লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ ও সমান্তরাল গণভোটের এই দিনে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, “আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান, নতুন স্বপ্নের শুরু।”
ড. ইউনূস বলেন, দীর্ঘদিনের দুঃস্বপ্নময় অতীতকে আমরা ত্যাগ করেছি এবং আজ থেকে দেশবাসী নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, আজ যেন এক ধরনের “জন্মদিন” যেখানে সারা দেশ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান করছে এবং নতুন সম্ভাবনার সূচনা ঘটছে।
ভোটের পর ড. ইউনূস সংবাদমাধ্যমের সামনে আরও বলেন, এই প্রক্রিয়ায় শুধু ভোট দেওয়া নয়, বরং সারা দেশের মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যতের রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। তিনি সবাইকে গণভোটে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই ভোটই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ নির্মাণে সবচেয়ে বড় শক্তি।
এ সময় তিনি দেশবাসীকে ঈদ মোবারক জানিয়ে বলেন, “যেসব দুঃস্বপ্নময় অতীত ছিল, সেসবকে আমরা সম্পূর্ণরূপে বর্জন করলাম। আজ থেকে আমরা প্রতিটি পদে নতুন বাংলাদেশ সৃষ্টি করার সুযোগ পেলাম। আজ সারাদিনব্যাপী জাতির সবাই মিলে উৎসব করি।”
অন্যদিকে আজ দেশের বিভিন্ন অংশেও ভোটগ্রহণ উৎসবমুখরভাবে শুরু হয়েছে। যেমন মৌলভীবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে সকাল থেকেই কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান কার্যক্রম চলেছে, যেখানে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন।
এছাড়া ভোটগ্রহণের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কিছু প্রতিনিধিও মন্তব্য করেছেন। বিএনপি প্রার্থী নাদিরা আক্তার মিঠু চৌধুরী বলেন, “ঈদের মতো খুশি হয়ে মানুষ ভোট দিচ্ছে,” দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো ভোটাররা সেই খুশির প্রমাণ দিচ্ছে, তবে তিনি বলেন ভোটারদের সুবিধার্থে বুথ বাড়ানো প্রয়োজন।
আজকের এই ভোটগ্রহণকে দেশের রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ দেশব্যাপী লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন