নাখালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সময় পুলিশ ও আনসার সদস্যদের বাধার সম্মুখীন হয়েছেন আমার দেশ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার গাজী শাহনেওয়াজ, যদিও কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার পরে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কেন্দ্রে প্রবেশকালে সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখানোর পরও পুলিশ ও আনসার সদস্যরা পরিচয়পত্র যাচাই করার নামে সময়ক্ষেপণ করেন। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার জানান, প্রিসাইডিং অফিসারের নির্দেশনা রয়েছে।
তবে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার খালিদ এই অভিযোগ নাকচ করে বলেন, সাংবাদিক তার কক্ষে উপস্থিত ছিলেন, তাহলে বাধা কোথায় দেওয়া হলো। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশেই বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সাংবাদিককে ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছিল।
বিষয়টি কমিশন সচিবকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, তিনি ভোট দিয়ে এসেছেন এবং কোথাও কোনো সমস্যা দেখেননি। তিনি কেন্দ্রের নাম জানতে চেয়ে বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন।
নাখালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। একটিতে ভোটার সংখ্যা দুই হাজার ৭৭০ জন এবং অন্যটিতে ২ হাজার ৮১০ জন। আড়াই ঘণ্টায় যথাক্রমে ২০০ ও ২৫০টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটের মাত্র ৮ শতাংশ। দুই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৯০ জন।
ভোট দিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৭৭ বছর বয়সী গোবিন্দ চন্দ্র। তিনি আমার দেশকে জানান, বিগত তিনটি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে আসেননি। এবার নির্বাচনের পরিবেশ ভালো বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে কেন্দ্র দুটিতে ভোটারদের তেমন কোনো দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। এলাকার অনেকে ফজরের নামাজ পড়ে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি কক্ষের বাইরে মোবাইলে ভোটারদের সরাসরি সম্প্রচার করতেও বাধা দেওয়া হয়। দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার এটি নিষেধ করেছেন। যদিও প্রিসাইডিং অফিসার এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ কক্ষের ভেতরে ছবি তোলা এবং কক্ষের বাইরে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে। কিন্তু কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার এই নির্দেশনা মানছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
উল্লেখ্য, নাখালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। আজ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নাখালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের সময় পুলিশ ও আনসার সদস্যদের বাধার সম্মুখীন হয়েছেন আমার দেশ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার গাজী শাহনেওয়াজ, যদিও কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার পরে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
কেন্দ্রে প্রবেশকালে সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখানোর পরও পুলিশ ও আনসার সদস্যরা পরিচয়পত্র যাচাই করার নামে সময়ক্ষেপণ করেন। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার জানান, প্রিসাইডিং অফিসারের নির্দেশনা রয়েছে।
তবে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার খালিদ এই অভিযোগ নাকচ করে বলেন, সাংবাদিক তার কক্ষে উপস্থিত ছিলেন, তাহলে বাধা কোথায় দেওয়া হলো। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশেই বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, সাংবাদিককে ক্যামেরায় দেখা যাচ্ছিল।
বিষয়টি কমিশন সচিবকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, তিনি ভোট দিয়ে এসেছেন এবং কোথাও কোনো সমস্যা দেখেননি। তিনি কেন্দ্রের নাম জানতে চেয়ে বলেন, বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন।
নাখালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। একটিতে ভোটার সংখ্যা দুই হাজার ৭৭০ জন এবং অন্যটিতে ২ হাজার ৮১০ জন। আড়াই ঘণ্টায় যথাক্রমে ২০০ ও ২৫০টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটের মাত্র ৮ শতাংশ। দুই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৯০ জন।
ভোট দিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ৭৭ বছর বয়সী গোবিন্দ চন্দ্র। তিনি আমার দেশকে জানান, বিগত তিনটি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে আসেননি। এবার নির্বাচনের পরিবেশ ভালো বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে কেন্দ্র দুটিতে ভোটারদের তেমন কোনো দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। এলাকার অনেকে ফজরের নামাজ পড়ে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি কক্ষের বাইরে মোবাইলে ভোটারদের সরাসরি সম্প্রচার করতেও বাধা দেওয়া হয়। দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান, কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার এটি নিষেধ করেছেন। যদিও প্রিসাইডিং অফিসার এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ কক্ষের ভেতরে ছবি তোলা এবং কক্ষের বাইরে সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে। কিন্তু কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার এই নির্দেশনা মানছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
উল্লেখ্য, নাখালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। আজ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন