ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ভোটের আগেই ‘লাল’ পাসপোর্ট সমর্পণ, উপদেষ্টাদের ‘সেফ এক্সিট’ বিতর্ক!


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ভোটের আগেই ‘লাল’ পাসপোর্ট সমর্পণ, উপদেষ্টাদের ‘সেফ এক্সিট’ বিতর্ক!

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগেই কেন্দ্রীয় অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা তাদের ডিপ্লোম্যাটিক বা লাল পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে সাধারণ সবুজ পাসপোর্ট গ্রহণ শুরু করেছেন। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা এটিকে সম্ভাব্য “সেফ এক্সিট” বা নিরাপদ দেশের বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৩ জন উপদেষ্টা দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগেই লাল পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন। তারা সরকারি বাসা ছাড়ার পাশাপাশি অফিস থেকে ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও নিচ্ছেন। দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর সাধারণত এই ধরনের পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হয়, কিন্তু নির্বাচনের আগে এটি করা হলে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট সাধারণত উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের জন্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে সাধারণ পাসপোর্টে বিদেশে যাত্রা করতে হলে স্বতন্ত্র ভিসা এবং অন্যান্য নিয়ম মেনে চলতে হয়। এই পার্থক্য থেকেই অনেকেই মনে করছেন, ভোটের আগে পাসপোর্ট পরিবর্তনের পেছনে সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা থাকতে পারে।

“সেফ এক্সিট” বা নিরাপদ দেশত্যাগের ধারণা রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচিত হয়েছে। সমালোচকেরা বলছেন, কিছু উপদেষ্টা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বা আইনি জটিলতা এড়াতে এভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগে লাল পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া অপ্রচলিত ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, যা প্রশাসনিক নীতির বিরুদ্ধ এবং সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে।

কিছু উপদেষ্টা জানিয়েছেন, তারা কেবল নিয়ম মেনে পাসপোর্ট পরিবর্তন করছেন এবং নির্বাচন বা দায়িত্ব শেষের আগে কোনোভাবেই “সেফ এক্সিট” কৌশল নেই। অন্যরা বলছেন, এটি সময়সাশ্রয়ী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিদেশে যাত্রার জন্য সুবিধা বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগে পাসপোর্ট পরিবর্তন করা বিরল ঘটনা। কিছু উপদেষ্টা দীর্ঘসূত্রতা ও সম্ভাব্য ভিসা জটিলতা এড়াতে আগে থেকেই সাধারণ পাসপোর্ট নিচ্ছেন। আবার অনেকে এটিকে নির্বাচন-পরবর্তী সম্ভাব্য রাজনৈতিক বা আইনি জটিলতা মোকাবিলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবেও দেখছেন।

নির্বাচনের আগে কিছু উপদেষ্টা লাল পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট নিয়েছেন। এটি রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। কেউ এটিকে সেফ এক্সিট কৌশল হিসেবে দেখছেন, আবার কিছু উপদেষ্টা এটিকে সাধারণ প্রশাসনিক এবং বৈধ সিদ্ধান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ভোটের আগেই ‘লাল’ পাসপোর্ট সমর্পণ, উপদেষ্টাদের ‘সেফ এক্সিট’ বিতর্ক!

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগেই কেন্দ্রীয় অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা তাদের ডিপ্লোম্যাটিক বা লাল পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে সাধারণ সবুজ পাসপোর্ট গ্রহণ শুরু করেছেন। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা এটিকে সম্ভাব্য “সেফ এক্সিট” বা নিরাপদ দেশের বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৩ জন উপদেষ্টা দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগেই লাল পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন। তারা সরকারি বাসা ছাড়ার পাশাপাশি অফিস থেকে ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও নিচ্ছেন। দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর সাধারণত এই ধরনের পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হয়, কিন্তু নির্বাচনের আগে এটি করা হলে নানা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট সাধারণত উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণের জন্য দেওয়া হয়। অন্যদিকে সাধারণ পাসপোর্টে বিদেশে যাত্রা করতে হলে স্বতন্ত্র ভিসা এবং অন্যান্য নিয়ম মেনে চলতে হয়। এই পার্থক্য থেকেই অনেকেই মনে করছেন, ভোটের আগে পাসপোর্ট পরিবর্তনের পেছনে সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা থাকতে পারে।

“সেফ এক্সিট” বা নিরাপদ দেশত্যাগের ধারণা রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই আলোচিত হয়েছে। সমালোচকেরা বলছেন, কিছু উপদেষ্টা ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বা আইনি জটিলতা এড়াতে এভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগে লাল পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া অপ্রচলিত ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত, যা প্রশাসনিক নীতির বিরুদ্ধ এবং সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে।

কিছু উপদেষ্টা জানিয়েছেন, তারা কেবল নিয়ম মেনে পাসপোর্ট পরিবর্তন করছেন এবং নির্বাচন বা দায়িত্ব শেষের আগে কোনোভাবেই “সেফ এক্সিট” কৌশল নেই। অন্যরা বলছেন, এটি সময়সাশ্রয়ী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিদেশে যাত্রার জন্য সুবিধা বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দায়িত্ব শেষ হওয়ার আগে পাসপোর্ট পরিবর্তন করা বিরল ঘটনা। কিছু উপদেষ্টা দীর্ঘসূত্রতা ও সম্ভাব্য ভিসা জটিলতা এড়াতে আগে থেকেই সাধারণ পাসপোর্ট নিচ্ছেন। আবার অনেকে এটিকে নির্বাচন-পরবর্তী সম্ভাব্য রাজনৈতিক বা আইনি জটিলতা মোকাবিলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবেও দেখছেন।

নির্বাচনের আগে কিছু উপদেষ্টা লাল পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট নিয়েছেন। এটি রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। কেউ এটিকে সেফ এক্সিট কৌশল হিসেবে দেখছেন, আবার কিছু উপদেষ্টা এটিকে সাধারণ প্রশাসনিক এবং বৈধ সিদ্ধান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ