নির্বাচনী আইন অনুযায়ী জাল ভোট প্রদান বা অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে ভোট দেওয়া একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর বিধান অনুযায়ী, এ ধরনের জালিয়াতির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
একই নির্বাচনে একাধিকবার ভোট দেওয়া, অন্য কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ব্যালট পেপার চাওয়া, কিংবা ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার সরিয়ে ফেলাও জাল ভোটের আওতাভুক্ত। বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে এ ধরনের যেকোনো অপচেষ্টা রোধে নির্বাচন কমিশন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রে দায়িত্বরত নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমগণ যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাজা প্রদানের ক্ষমতা রাখবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী জাল ভোট প্রদান বা অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে ভোট দেওয়া একটি গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর বিধান অনুযায়ী, এ ধরনের জালিয়াতির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড হতে পারে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশের জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
একই নির্বাচনে একাধিকবার ভোট দেওয়া, অন্য কোনো জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ব্যালট পেপার চাওয়া, কিংবা ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার সরিয়ে ফেলাও জাল ভোটের আওতাভুক্ত। বৃহস্পতিবারের (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে এ ধরনের যেকোনো অপচেষ্টা রোধে নির্বাচন কমিশন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রে দায়িত্বরত নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমগণ যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাজা প্রদানের ক্ষমতা রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন