দেশব্যাপী টানা ২০ দিনের নির্বাচনী সফর শেষে জনগণের অভূতপূর্ব সাড়া এবং বিভিন্ন মহলের সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, গত ২০ দিনের এই সফরে তিনি দেশের পাহাড় থেকে সমতল এবং শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্র মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা লক্ষ্য করেছেন। তিনি বলেন, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই বেইনসাফির শিকল ভেঙে এক নতুন সূর্যোদয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সফরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বজন হারানো এই পরিবারগুলোর একমাত্র প্রত্যাশা হলো স্বজন হত্যার ন্যায়বিচার এবং একটি বৈষম্যহীন ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ।
সফরটি সফল করতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে নির্বাচনি যাত্রাপথে বা জনসভা চলাকালে জনসাধারণের যদি কোনো যাতায়াতজনিত ভোগান্তি বা কষ্ট হয়ে থাকে, তবে তার জন্য তিনি বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সবাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেবেন এবং একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশব্যাপী টানা ২০ দিনের নির্বাচনী সফর শেষে জনগণের অভূতপূর্ব সাড়া এবং বিভিন্ন মহলের সহযোগিতার জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
ডা. শফিকুর রহমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, গত ২০ দিনের এই সফরে তিনি দেশের পাহাড় থেকে সমতল এবং শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্র মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের এক তীব্র আকাঙ্ক্ষা লক্ষ্য করেছেন। তিনি বলেন, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই বেইনসাফির শিকল ভেঙে এক নতুন সূর্যোদয়ের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। সফরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বজন হারানো এই পরিবারগুলোর একমাত্র প্রত্যাশা হলো স্বজন হত্যার ন্যায়বিচার এবং একটি বৈষম্যহীন ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ।
সফরটি সফল করতে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একই সাথে নির্বাচনি যাত্রাপথে বা জনসভা চলাকালে জনসাধারণের যদি কোনো যাতায়াতজনিত ভোগান্তি বা কষ্ট হয়ে থাকে, তবে তার জন্য তিনি বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সবাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেবেন এবং একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন।

আপনার মতামত লিখুন