জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোটকে সামনে রেখে দেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের জন্য বিশেষ ব্রিফিং দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের জন্য কমিশনের নেয়া পদক্ষেপগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সিইসি তার বক্তব্যে বলেন, কমিশন সর্বদা স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে, যাতে জনগণ একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপভোগ করতে পারে। তিনি জানান, নির্বাচনে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যবেক্ষণ ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। প্রায় ২০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশনারীরা এই নির্বাচনী ইভেন্টে আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া ১৬০ জনেরও বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে কাজ করছেন। দেশীয় পর্যায়ে ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থা থেকে ৪৪ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।
সিইসি আরও জানান, প্রায় ৬০ হাজার সাংবাদিককে ইতিমধ্যেই পরিচয়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই সমস্ত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের কার্যক্রম নিশ্চিত করতে কমিশন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সাংবাদিকদের প্রতি তিনি বিশেষভাবে নির্দেশ দেন, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে, তবে ভোট প্রদানের কক্ষের গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে এবং ভোটারদের কোনোভাবে অসুবিধা সৃষ্টি করা যাবে না।
পর্যবেক্ষকদের জন্যও নির্ধারিত নির্দেশনা দিয়েছেন সিইসি। তাদের অনুমোদিত সীমার মধ্যে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে হবে। নির্বাচনের পর পর্যবেক্ষকরা যে কোনো ফলাফল বা রিপোর্ট প্রকাশ করতে স্বাধীন থাকবেন।
সিইসি উল্লেখ করেন, “একটি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিরাও কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
সেশনের শেষে সিইসি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার কারিগরি দিকগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদানের দায়িত্ব কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিবকে দেন। তিনি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার ওপর আস্থা রাখেন এবং বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, তাদের সঠিক প্রতিবেদন ও অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে কমিশন পরিষ্কার করে দিয়েছে, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রে পেশাদারভাবে কাজ করবেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে, এবং ভোটারদের অধিকার ও গোপনীয়তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রক্ষিত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোটকে সামনে রেখে দেশে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র অবস্থায় রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের জন্য বিশেষ ব্রিফিং দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) তিনি নির্বাচনের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের জন্য কমিশনের নেয়া পদক্ষেপগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সিইসি তার বক্তব্যে বলেন, কমিশন সর্বদা স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছে, যাতে জনগণ একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপভোগ করতে পারে। তিনি জানান, নির্বাচনে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় পর্যবেক্ষণ ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। প্রায় ২০টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও মিশনারীরা এই নির্বাচনী ইভেন্টে আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া ১৬০ জনেরও বেশি আন্তর্জাতিক সাংবাদিক স্বাধীনভাবে নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে কাজ করছেন। দেশীয় পর্যায়ে ৮১টি নিবন্ধিত সংস্থা থেকে ৪৪ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।
সিইসি আরও জানান, প্রায় ৬০ হাজার সাংবাদিককে ইতিমধ্যেই পরিচয়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এই সমস্ত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের কার্যক্রম নিশ্চিত করতে কমিশন প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সাংবাদিকদের প্রতি তিনি বিশেষভাবে নির্দেশ দেন, ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে, তবে ভোট প্রদানের কক্ষের গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে এবং ভোটারদের কোনোভাবে অসুবিধা সৃষ্টি করা যাবে না।
পর্যবেক্ষকদের জন্যও নির্ধারিত নির্দেশনা দিয়েছেন সিইসি। তাদের অনুমোদিত সীমার মধ্যে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে হবে। নির্বাচনের পর পর্যবেক্ষকরা যে কোনো ফলাফল বা রিপোর্ট প্রকাশ করতে স্বাধীন থাকবেন।
সিইসি উল্লেখ করেন, “একটি শান্তিপূর্ণ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিরাও কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
সেশনের শেষে সিইসি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার কারিগরি দিকগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত ব্রিফিং প্রদানের দায়িত্ব কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবিবকে দেন। তিনি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার ওপর আস্থা রাখেন এবং বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, তাদের সঠিক প্রতিবেদন ও অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে কমিশন পরিষ্কার করে দিয়েছে, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রে পেশাদারভাবে কাজ করবেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে, এবং ভোটারদের অধিকার ও গোপনীয়তা সর্বোচ্চ পর্যায়ে রক্ষিত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন