ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের জন্য কেন্দ্রগুলোতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে। ভোট দেওয়ার দিন ভোটারদের অবশ্যই এগুলো মেনে চলা প্রয়োজন।
ভোটের সময়সূচি:
ভোটারদের সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকাল ৪:৩০টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ান, সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
কেন্দ্রে প্রবেশে নির্দেশনা:
ভোটাররা পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। মার্কিং প্লেসে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ। শালীন পোশাক পরিধান করা যাবে, তবে নেকাব পরে গেলে পরিচয় নিশ্চিত করতে একবার খুলতে হতে পারে। অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিপজ্জনক কোনো বস্তু সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরিচয় যাচাই ও ব্যালট গ্রহণ:
ভোটারদের এনআইডি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে শনাক্তকরণ দ্রুত হয়। ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাইয়ের পর আঙুলে অমোচনীয় কালি দেওয়া হবে। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট দেবেন—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য, অন্যটি গণভোটের জন্য।
ভোট প্রদানের নিয়ম:
ব্যালট পেপার নেওয়ার পর দেখা নিশ্চিত করতে হবে যে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষর আছে। এরপর গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে।
গণভোটের জন্য হ্যাঁ/না অপশনের আলাদা ব্যালটে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট ভাঁজ করে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ।
কেন্দ্রে থাকার সময়:
ভোট প্রদান শেষে অযথা কেন্দ্রের মধ্যে অবস্থান না করে দ্রুত বের হওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ও নিয়ম মেনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের জন্য কেন্দ্রগুলোতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে। ভোট দেওয়ার দিন ভোটারদের অবশ্যই এগুলো মেনে চলা প্রয়োজন।
ভোটের সময়সূচি:
ভোটারদের সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকাল ৪:৩০টার মধ্যে নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি বিকেল ৪টার আগে লাইনে দাঁড়ান, সময় শেষ হলেও ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
কেন্দ্রে প্রবেশে নির্দেশনা:
ভোটাররা পার্স ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। মার্কিং প্লেসে মোবাইল ব্যবহার নিষিদ্ধ। শালীন পোশাক পরিধান করা যাবে, তবে নেকাব পরে গেলে পরিচয় নিশ্চিত করতে একবার খুলতে হতে পারে। অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিপজ্জনক কোনো বস্তু সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
পরিচয় যাচাই ও ব্যালট গ্রহণ:
ভোটারদের এনআইডি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক নয়, তবে থাকলে শনাক্তকরণ দ্রুত হয়। ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাইয়ের পর আঙুলে অমোচনীয় কালি দেওয়া হবে। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার দুটি ব্যালট দেবেন—একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য, অন্যটি গণভোটের জন্য।
ভোট প্রদানের নিয়ম:
ব্যালট পেপার নেওয়ার পর দেখা নিশ্চিত করতে হবে যে অফিসিয়াল সিল ও স্বাক্ষর আছে। এরপর গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট সিল দিতে হবে।
গণভোটের জন্য হ্যাঁ/না অপশনের আলাদা ব্যালটে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট ভাঁজ করে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ।
কেন্দ্রে থাকার সময়:
ভোট প্রদান শেষে অযথা কেন্দ্রের মধ্যে অবস্থান না করে দ্রুত বের হওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, ভোটাররা শান্তিপূর্ণভাবে ও নিয়ম মেনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন