ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দেশের সকল ভোটকেন্দ্রে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও বিতরণ করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকার ব্যালট বাক্স এবং অন্যান্য সরঞ্জাম বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে পৌঁছে যাবে। রাতের মধ্যেই ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলোতেও ব্যালট পেপার এবং ভোট সম্পর্কিত সব উপকরণ সরবরাহ করা হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোটাররা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন—সাদা ব্যালট হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য, আর গোলাপি ব্যালট গণভোটের জন্য।
নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে সারা দেশে ৮ হাজার ৭৭০টি ভোটকেন্দ্রকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৬ হাজার কেন্দ্রকে মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এর আগে নির্বাচন কমিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ২৯৯টি আসনের ৯০ শতাংশ কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। তবে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা কমিশনার সানাউল্লাহ স্পষ্ট করতে পারেননি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য দেশের সকল ভোটকেন্দ্রে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও বিতরণ করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকার ব্যালট বাক্স এবং অন্যান্য সরঞ্জাম বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে পৌঁছে যাবে। রাতের মধ্যেই ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলোতেও ব্যালট পেপার এবং ভোট সম্পর্কিত সব উপকরণ সরবরাহ করা হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের দিন সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ভোটাররা দুটি ব্যালট পেপারে ভোট দেবেন—সাদা ব্যালট হবে সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য, আর গোলাপি ব্যালট গণভোটের জন্য।
নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে সারা দেশে ৮ হাজার ৭৭০টি ভোটকেন্দ্রকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৬ হাজার কেন্দ্রকে মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
এর আগে নির্বাচন কমিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ২৯৯টি আসনের ৯০ শতাংশ কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে ২ হাজার ৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৫৭ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। তবে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা কমিশনার সানাউল্লাহ স্পষ্ট করতে পারেননি।

আপনার মতামত লিখুন