ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মিয়াকুন্ডু গ্রামে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক ঠান্ডু মণ্ডল (৫৬) কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা ঘটে ৯ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে, যখন তিনি ভোট প্রচারণা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌঁছানোর সময় আনুমানিক ১০–১৫ জন হামলাকারী তাদের ওপর আকস্মিকভাবে আক্রমণ চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে ঠান্ডু মণ্ডলকে কুপে জখম করে। পরে তাঁকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর পায়ে একাধিক কেটে যাওয়ার ক্ষত রয়েছে, তবে বর্তমানে শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।
ঠান্ডু মণ্ডল ও তার পরিবার দাবি করেছেন, হামলাকারীরা স্থানীয় ধানের শীষ সমর্থক এবং পূর্বের ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনি পরিবেশকে অজুহাত করে এই সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভোট প্রচারণার সময় এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি সহিংসতা কিছুটা বেড়ে গেছে। ঝিনাইদহেও এই ধরনের ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের সঙ্গে জড়িত হয়ে ভোটারদের নিরাপদ ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ নজরদারি করছে। এই ঘটনা ভোটের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগে সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মিয়াকুন্ডু গ্রামে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক ঠান্ডু মণ্ডল (৫৬) কে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা ঘটে ৯ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৯টার দিকে, যখন তিনি ভোট প্রচারণা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পৌঁছানোর সময় আনুমানিক ১০–১৫ জন হামলাকারী তাদের ওপর আকস্মিকভাবে আক্রমণ চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে ঠান্ডু মণ্ডলকে কুপে জখম করে। পরে তাঁকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর পায়ে একাধিক কেটে যাওয়ার ক্ষত রয়েছে, তবে বর্তমানে শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত।
ঠান্ডু মণ্ডল ও তার পরিবার দাবি করেছেন, হামলাকারীরা স্থানীয় ধানের শীষ সমর্থক এবং পূর্বের ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনি পরিবেশকে অজুহাত করে এই সহিংসতা সংঘটিত হয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ভোট প্রচারণার সময় এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তদন্ত চলছে এবং হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি সহিংসতা কিছুটা বেড়ে গেছে। ঝিনাইদহেও এই ধরনের ঘটনা স্থানীয় রাজনৈতিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের সঙ্গে জড়িত হয়ে ভোটারদের নিরাপদ ভোটাধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ নজরদারি করছে। এই ঘটনা ভোটের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটারদের শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগে সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন