আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য বাংলাদেশের ২৯৯টি আসনে ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে এবং নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত থাকায় মোট আসন সংখ্যা ৩০০-এর বদলে ২৯৯।
ইসি সচিব বলেন, “নির্বাচনের জন্য সকল ব্যালট পত্র, নির্বাচনী সরঞ্জাম এবং উপকরণ ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার ও প্রেসাইডিং অফিসারদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার অপেক্ষা।”
ব্যালট পেপারের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটের দিন সর্বত্র মোতায়েন থাকবে যাতে ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত। কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার্থে সব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আখতার আহমেদ আরও বলেন, “আমরা আশা করি এই নির্বাচন হবে ফ্রি, ফেয়ার এবং উৎসবমুখর, যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। ভোটার তালিকা শতভাগ নিখুঁত না হলেও, প্রয়োজনীয় সংশোধন ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।”
নির্বাচনের ফলাফলের হিসাব-নিকাশ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের মাধ্যমে শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, ফলাফল সংগ্রহ প্রক্রিয়া কোনো বিলম্ব ছাড়াই সম্পন্ন হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রচারণার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের সহিংসতা বা গোলযোগের খবর নেই। সব দল ও প্রার্থীরা সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব বজায় রেখেছে, যা ভোটগ্রহণের পরিবেশকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সাহায্য করবে।
শেরপুর-৩ আসন ব্যতীত দেশের ২৯৯টি আসনে ব্যালট পেপার পৌঁছেছে, নির্বাচনী উপকরণ বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সব প্রস্তুতি শেষ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য বাংলাদেশের ২৯৯টি আসনে ব্যালট পেপার পৌঁছে গেছে এবং নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, শেরপুর-৩ আসনে ভোট স্থগিত থাকায় মোট আসন সংখ্যা ৩০০-এর বদলে ২৯৯।
ইসি সচিব বলেন, “নির্বাচনের জন্য সকল ব্যালট পত্র, নির্বাচনী সরঞ্জাম এবং উপকরণ ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার ও প্রেসাইডিং অফিসারদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার অপেক্ষা।”
ব্যালট পেপারের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটের দিন সর্বত্র মোতায়েন থাকবে যাতে ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকেল ৪:৩০টা পর্যন্ত। কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার্থে সব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
আখতার আহমেদ আরও বলেন, “আমরা আশা করি এই নির্বাচন হবে ফ্রি, ফেয়ার এবং উৎসবমুখর, যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। ভোটার তালিকা শতভাগ নিখুঁত না হলেও, প্রয়োজনীয় সংশোধন ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।”
নির্বাচনের ফলাফলের হিসাব-নিকাশ আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের মাধ্যমে শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন আশা করছে, ফলাফল সংগ্রহ প্রক্রিয়া কোনো বিলম্ব ছাড়াই সম্পন্ন হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রচারণার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের সহিংসতা বা গোলযোগের খবর নেই। সব দল ও প্রার্থীরা সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব বজায় রেখেছে, যা ভোটগ্রহণের পরিবেশকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখতে সাহায্য করবে।
শেরপুর-৩ আসন ব্যতীত দেশের ২৯৯টি আসনে ব্যালট পেপার পৌঁছেছে, নির্বাচনী উপকরণ বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সব প্রস্তুতি শেষ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন