২০২৫ সালের ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)’ অনুযায়ী বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে রয়েছে। ২০২৪ সালে দেশের অবস্থান ছিল ১৪তম। এই সূচকটি ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ২০২৫ সালে ২২, যা ২০২৪ সালের তুলনায় এক পয়েন্ট কম। যদিও অন্য দেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় বাংলাদেশ সূচকে এক ধাপ এগিয়েছে।
সিপিআই অনুযায়ী ২০২৫ সালে দুর্নীতি সবচেয়ে কম দেখা গেছে ডেনমার্কে। অন্যদিকে, দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়ায় দুর্নীতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে (ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ) বাংলাদেশে দুর্নীতির মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি। বৈশ্বিক গড় স্কোর ৪২, যা দেশের প্রাপ্ত স্কোরের প্রায় দ্বিগুণ। এছাড়া, গত ১২ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের এবার সর্বনিম্ন স্কোর লক্ষ্য করা গেছে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের সিপিআই ১ পয়েন্ট বেড়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রভাবের কারণে। তবে সংস্কার প্রক্রিয়ার দুর্বলতা ও মাঠপর্যায়ে চলমান দুর্নীতি দেশের অবস্থানকে এক ধাপ অবনতি করতে বাধ্য করেছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া দেশের দুর্নীতি কমানো সম্ভব নয়, এবং অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধ্যে দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়ার স্কোর মাত্র ৯, যা সবচেয়ে খারাপ। তুলনায়, ডেনমার্ক ৮৯ স্কোর পেয়ে বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০২৫ সালের ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)’ অনুযায়ী বাংলাদেশ এক ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে রয়েছে। ২০২৪ সালে দেশের অবস্থান ছিল ১৪তম। এই সূচকটি ২০২২ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান জানান, ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ২০২৫ সালে ২২, যা ২০২৪ সালের তুলনায় এক পয়েন্ট কম। যদিও অন্য দেশের পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় বাংলাদেশ সূচকে এক ধাপ এগিয়েছে।
সিপিআই অনুযায়ী ২০২৫ সালে দুর্নীতি সবচেয়ে কম দেখা গেছে ডেনমার্কে। অন্যদিকে, দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়ায় দুর্নীতির মাত্রা সবচেয়ে বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে (ভারত, পাকিস্তান, নেপালসহ) বাংলাদেশে দুর্নীতির মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি। বৈশ্বিক গড় স্কোর ৪২, যা দেশের প্রাপ্ত স্কোরের প্রায় দ্বিগুণ। এছাড়া, গত ১২ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের এবার সর্বনিম্ন স্কোর লক্ষ্য করা গেছে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের সিপিআই ১ পয়েন্ট বেড়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রভাবের কারণে। তবে সংস্কার প্রক্রিয়ার দুর্বলতা ও মাঠপর্যায়ে চলমান দুর্নীতি দেশের অবস্থানকে এক ধাপ অবনতি করতে বাধ্য করেছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছাড়া দেশের দুর্নীতি কমানো সম্ভব নয়, এবং অন্তর্বর্তী সরকার স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধ্যে দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়ার স্কোর মাত্র ৯, যা সবচেয়ে খারাপ। তুলনায়, ডেনমার্ক ৮৯ স্কোর পেয়ে বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন