আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশে টানা চার দিন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ (ডিএফআইএম) পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনকালীন স্বাভাবিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটির পর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসডিএডির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সকল তফসিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে ডিএফআইএম-এর বিজ্ঞপ্তিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০২৩-এর ৪১ (২) (ঘ) ধারার আওতায় ওই দুই দিন সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর ফলে গ্রাহকদের জরুরি ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় থাকছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ২৫ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানিয়েছে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে, যাতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
দীর্ঘ এই ছুটিতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে বিঘ্ন এড়াতে এটিএম বুথ ও অনলাইন ব্যাংকিং সেবা সচল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। একই সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, রকেট, নগদ) এবং পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) সেবাগুলো নিয়মিত চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ব্যাংক বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব এড়াতে অনেক গ্রাহক আগেভাগেই চেক ক্লিয়ারেন্স, এলসি ও অন্যান্য জরুরি কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন। অর্থনীতিবিদরা গ্রাহকদের পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সঙ্গে রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন।
ছুটি শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় তাদের নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে দেশে টানা চার দিন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ (ডিএফআইএম) পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করা এবং নির্বাচনকালীন স্বাভাবিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটির পর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসডিএডির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সকল তফসিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে ডিএফআইএম-এর বিজ্ঞপ্তিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০২৩-এর ৪১ (২) (ঘ) ধারার আওতায় ওই দুই দিন সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ইতোমধ্যে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর ফলে গ্রাহকদের জরুরি ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় থাকছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ২৫ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানিয়েছে, নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে, যাতে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
দীর্ঘ এই ছুটিতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে বিঘ্ন এড়াতে এটিএম বুথ ও অনলাইন ব্যাংকিং সেবা সচল রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। একই সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, রকেট, নগদ) এবং পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) সেবাগুলো নিয়মিত চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
ব্যাংক বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব এড়াতে অনেক গ্রাহক আগেভাগেই চেক ক্লিয়ারেন্স, এলসি ও অন্যান্য জরুরি কাজ শেষ করার চেষ্টা করছেন। অর্থনীতিবিদরা গ্রাহকদের পর্যাপ্ত নগদ অর্থ সঙ্গে রাখারও পরামর্শ দিয়েছেন।
ছুটি শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় তাদের নিয়মিত সময়সূচি অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করবে।

আপনার মতামত লিখুন