ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল বলেছেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, আমি কোনো কাবিটা’র টাকা ভাগ করে খাওয়ার জন্য এখানে আসিনি, কোনো চাঁদাবাজকে সঙ্গ দিতে আসিনি, কোনো মাস্তান বা সন্ত্রাসী নিয়ে রাজনীতি করতে আসিনি। আমি এসেছি নিয়োগ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি প্রতিহত করতে।”
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, “আমি এসেছি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ নিয়ে এবং তারেক রহমানের আধুনিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে। আমি নির্বাচিত হলে এই জনপদ হবে বাংলাদেশের সকল মানুষের জনপদ। সন্ত্রাসমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত ও উন্নয়নমূলক আধুনিক বাংলাদেশ গড়াই হবে আমার একমাত্র লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করবেন। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। ভোট গণনা শেষে ফলাফল নিয়ে ঘরে ফিরবেন, যাতে কোনো ষড়যন্ত্রকারী বহুমুখী ষড়যন্ত্র করতে না পারে। এই তিন দিন আপনাদের কষ্ট করতে হবে—ইনশাল্লাহ ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা বিজয় উৎসব করব।”
রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তালুকদার আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামীম তালুকদার, রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হক নান্টু, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাছুম বিল্লাহ পারভেজ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রতন দেবনাথ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাখাওত রাব্বি, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব সোহাগ, কেন্দ্রীয় প্রজন্ম দলের ক্রীড়া সম্পাদক বাহাদুর হোসেন, ঢাকা উত্তর প্রজন্ম দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রানা, দুবাই যুবদলের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান ফেরদৌসসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল বলেছেন, “আমি যদি নির্বাচিত হই, আমি কোনো কাবিটা’র টাকা ভাগ করে খাওয়ার জন্য এখানে আসিনি, কোনো চাঁদাবাজকে সঙ্গ দিতে আসিনি, কোনো মাস্তান বা সন্ত্রাসী নিয়ে রাজনীতি করতে আসিনি। আমি এসেছি নিয়োগ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি প্রতিহত করতে।”
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, “আমি এসেছি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নিয়ে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ নিয়ে এবং তারেক রহমানের আধুনিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে। আমি নির্বাচিত হলে এই জনপদ হবে বাংলাদেশের সকল মানুষের জনপদ। সন্ত্রাসমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত ও উন্নয়নমূলক আধুনিক বাংলাদেশ গড়াই হবে আমার একমাত্র লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে অবস্থান করবেন। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না। ভোট গণনা শেষে ফলাফল নিয়ে ঘরে ফিরবেন, যাতে কোনো ষড়যন্ত্রকারী বহুমুখী ষড়যন্ত্র করতে না পারে। এই তিন দিন আপনাদের কষ্ট করতে হবে—ইনশাল্লাহ ১৩ ফেব্রুয়ারি আমরা বিজয় উৎসব করব।”
রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তালুকদার আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামীম তালুকদার, রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হক নান্টু, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাছুম বিল্লাহ পারভেজ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রতন দেবনাথ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাখাওত রাব্বি, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব সোহাগ, কেন্দ্রীয় প্রজন্ম দলের ক্রীড়া সম্পাদক বাহাদুর হোসেন, ঢাকা উত্তর প্রজন্ম দলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ রানা, দুবাই যুবদলের সাবেক সভাপতি মাহমুদুল হাসান ফেরদৌসসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন