চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টাকালে এক প্রতারককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে হাইমচর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাইমচর উপজেলার আলগী বাজারে অবস্থিত ‘লাভলি মেডিকেল হল’ নামের একটি ওষুধের দোকানে গিয়ে এক ব্যক্তি নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেন। তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দোকান মালিকের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ সৃষ্টি হলে উপস্থিত লোকজন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে।
এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি দোকান থেকে ১১ হাজার টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে এবং প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এরপর ঘটনাস্থলেই তাকে আটকে রেখে হাইমচর থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পরও তার প্রকৃত নাম-পরিচয় ও স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এই প্রতারণার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারি কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে এ ধরনের ঘটনায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং কোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার পরামর্শ দেন।
হাইমচর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টাকালে এক প্রতারককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাকে হাইমচর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাইমচর উপজেলার আলগী বাজারে অবস্থিত ‘লাভলি মেডিকেল হল’ নামের একটি ওষুধের দোকানে গিয়ে এক ব্যক্তি নিজেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর পরিচয় দেন। তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে দোকান মালিকের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে সন্দেহ সৃষ্টি হলে উপস্থিত লোকজন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে।
এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি দোকান থেকে ১১ হাজার টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ে এবং প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এরপর ঘটনাস্থলেই তাকে আটকে রেখে হাইমচর থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পরও তার প্রকৃত নাম-পরিচয় ও স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এই প্রতারণার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারি কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে এ ধরনের ঘটনায় সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং কোনো সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনকে অবহিত করার পরামর্শ দেন।
হাইমচর থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সত্যতা যাচাই করে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন