নির্বাচন কমিশন (ইসি) রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ভোটকেন্দ্রের চারশত গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন প্রবেশ নিষিদ্ধের নির্দেশনা জারি করেছে।
ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল প্রবেশের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র তিন ধরনের ব্যক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে—ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্গীভূত আনসার/সাধারণ আনসার/ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন আনসার।
নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হলে ভোটগ্রহণের সময় সাধারণ ভোটার, রাজনৈতিক নেতারা, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। বিশেষ করে অধিকাংশ সাংবাদিক ভোটগ্রহণের ছবি, ভিডিও বা রেকর্ডিং করতে ফোন ব্যবহার করেন, তাই তাদের কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপটি ভোটের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্বাচনী অনিয়ম ও অসাধু কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য নিয়েই নেওয়া হয়েছে। তবে এটি ভোটকেন্দ্রের জনসাধারণ এবং মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচন কমিশন (ইসি) রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ভোটকেন্দ্রের চারশত গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন প্রবেশ নিষিদ্ধের নির্দেশনা জারি করেছে।
ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম এই নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল প্রবেশের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র তিন ধরনের ব্যক্তিকে ছাড় দেওয়া হবে—ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং অফিসার, ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ এবং ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্গীভূত আনসার/সাধারণ আনসার/ভিডিপির ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুইজন আনসার।
নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হলে ভোটগ্রহণের সময় সাধারণ ভোটার, রাজনৈতিক নেতারা, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরা ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না। বিশেষ করে অধিকাংশ সাংবাদিক ভোটগ্রহণের ছবি, ভিডিও বা রেকর্ডিং করতে ফোন ব্যবহার করেন, তাই তাদের কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপটি ভোটের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্বাচনী অনিয়ম ও অসাধু কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য নিয়েই নেওয়া হয়েছে। তবে এটি ভোটকেন্দ্রের জনসাধারণ এবং মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন