সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার জানিয়েছেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো অংশ ছিলেন না। আজ রবিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ড. মজুমদার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ভুল ধারণা তৈরি করা হয় যে তিনি সরকারের অংশ হিসেবে কাজ করেছেন। কিন্তু মূলত জনদাবি ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রয়োজনে তিনি কেবল নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সহায়তা করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, সংস্কার কমিশনের দায়িত্ব পাওয়ার আগে প্রধান উপদেষ্টার সাথে তার কোনো আলাপ হয়নি এবং এই দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রেও তার কোনো পূর্ব মতামত নেওয়া হয়নি। এক সাংবাদিকের ফোনের মাধ্যমে তিনি প্রথম জানতে পারেন যে তাকে কমিশনের প্রধান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান ড. মজুমদারের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেন যে, 'সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ'—হয়তো এই কারণেই তাকে এখন এসব কৈফিয়ত দিতে হচ্ছে। তিনি রূপক অর্থে বলেন, গায়ে সুগন্ধি মেখেও কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটলে কিছু কাদা গায়ে লাগতেই পারে।
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যেখানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার জানিয়েছেন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দায়িত্ব পালন করলেও তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো অংশ ছিলেন না। আজ রবিবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ড. মজুমদার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে ভুল ধারণা তৈরি করা হয় যে তিনি সরকারের অংশ হিসেবে কাজ করেছেন। কিন্তু মূলত জনদাবি ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের প্রয়োজনে তিনি কেবল নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সহায়তা করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, সংস্কার কমিশনের দায়িত্ব পাওয়ার আগে প্রধান উপদেষ্টার সাথে তার কোনো আলাপ হয়নি এবং এই দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রেও তার কোনো পূর্ব মতামত নেওয়া হয়নি। এক সাংবাদিকের ফোনের মাধ্যমে তিনি প্রথম জানতে পারেন যে তাকে কমিশনের প্রধান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান ড. মজুমদারের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেন যে, 'সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ'—হয়তো এই কারণেই তাকে এখন এসব কৈফিয়ত দিতে হচ্ছে। তিনি রূপক অর্থে বলেন, গায়ে সুগন্ধি মেখেও কর্দমাক্ত রাস্তায় হাঁটলে কিছু কাদা গায়ে লাগতেই পারে।
অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যেখানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন