ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ৩৭৯ জন বন্দী। আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এই বন্দীরা একই সাথে দেশজুড়ে চলমান গণভোটেও নিজেদের মতামত প্রদান করেছেন।
চট্টগ্রামের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, কারাগারে থাকা বন্দীদের মধ্যে যারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত, তাদের মধ্য থেকে ৩৭৯ জন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া আজ শনিবার বিকেলে সফলভাবে শেষ হয়।
নির্বাচন কমিশন ও কারাগার সূত্র জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নিয়োজিত নির্বাচন কর্মকর্তা, জেল সুপার এবং কারারক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। বন্দীদের এই ভোটাধিকার প্রয়োগ মূলত নির্বাচন কমিশনের অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোট নিশ্চিত করার একটি অংশ। এর মাধ্যমে কারাগারের ভেতরে থেকেও নাগরিকরা দেশের শাসনব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের ৩৭৯ জন বন্দী। আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তারা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি এই বন্দীরা একই সাথে দেশজুড়ে চলমান গণভোটেও নিজেদের মতামত প্রদান করেছেন।
চট্টগ্রামের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, কারাগারে থাকা বন্দীদের মধ্যে যারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত, তাদের মধ্য থেকে ৩৭৯ জন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া আজ শনিবার বিকেলে সফলভাবে শেষ হয়।
নির্বাচন কমিশন ও কারাগার সূত্র জানিয়েছে, পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতার সাথে সম্পন্ন করতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নিয়োজিত নির্বাচন কর্মকর্তা, জেল সুপার এবং কারারক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। বন্দীদের এই ভোটাধিকার প্রয়োগ মূলত নির্বাচন কমিশনের অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোট নিশ্চিত করার একটি অংশ। এর মাধ্যমে কারাগারের ভেতরে থেকেও নাগরিকরা দেশের শাসনব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেলেন।

আপনার মতামত লিখুন