ইনকিলাব মঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময় অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারিই হতে হবে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারা এই দাবি জানায়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, “নির্বাচন ১২ তারিখেই হবে। নির্বাচন হতেই হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেওয়া হবে না।” মূলত নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রকার অনিশ্চয়তা বা ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা থেকেই সংগঠনটি এমন কঠোর বার্তা দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেক্ষাপট ও পুলিশের অ্যাকশন এই ঘোষণার আগে শুক্রবার বিকেলে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন 'যমুনা' অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। যমুনার সামনে আগে থেকেই জারি করা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে সংগঠনটি দাবি করেছে।
সরকারের অবস্থান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনকি এই মামলার তদন্তে সহায়তার জন্য জাতিসংঘকে (UN) চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের এই অনড় অবস্থানের পর নির্বাচনী পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে কৌতূহল বাড়ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময় অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারিই হতে হবে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারা এই দাবি জানায়।
পোস্টে উল্লেখ করা হয়, “নির্বাচন ১২ তারিখেই হবে। নির্বাচন হতেই হবে। কোনোভাবেই নির্বাচন বানচাল করতে দেওয়া হবে না।” মূলত নির্বাচন নিয়ে কোনো প্রকার অনিশ্চয়তা বা ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা থেকেই সংগঠনটি এমন কঠোর বার্তা দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেক্ষাপট ও পুলিশের অ্যাকশন এই ঘোষণার আগে শুক্রবার বিকেলে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন 'যমুনা' অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন। যমুনার সামনে আগে থেকেই জারি করা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা এগোতে চাইলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে সংগঠনটি দাবি করেছে।
সরকারের অবস্থান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের জন্য সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনকি এই মামলার তদন্তে সহায়তার জন্য জাতিসংঘকে (UN) চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
ইনকিলাব মঞ্চের এই অনড় অবস্থানের পর নির্বাচনী পরিবেশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে কৌতূহল বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন