রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে পুলিশের অভিযানে তিনজন আন্দোলনকারী নিহতের খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সিএ প্রেস উইং ফ্যাক্টসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ করে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত এবং অন্তত দশজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা নেই। গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রেই এ ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সূত্রপাত হয় আজ সকালে, যখন নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের একটি দল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে কর্মচারীরা অবস্থান চালিয়ে গেলে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
পুলিশি পদক্ষেপের মুখে আন্দোলনকারীরা পিছু হটে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান গ্রহণ করেন। সেখানেও তারা অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করলে দুপুর সোয়া ১টার দিকে পুলিশ পুনরায় বলপ্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের ধাওয়ায় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ শাহবাগ এবং অন্যটি বাংলামোটরের দিকে চলে যায়।
প্রেস উইং ফ্যাক্টস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পুলিশ শৃঙ্খলা রক্ষায় টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করলেও কোনো ধরনের গুলিবর্ষণ বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো নিহতের সংবাদটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা মাত্র। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে পুলিশের অভিযানে তিনজন আন্দোলনকারী নিহতের খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ফ্যাক্টস।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সিএ প্রেস উইং ফ্যাক্টসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ করে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে পুলিশের গুলিতে তিনজন নিহত এবং অন্তত দশজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে যে দাবি করা হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা নেই। গণমাধ্যম ও নির্ভরযোগ্য কোনো সূত্রেই এ ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সূত্রপাত হয় আজ সকালে, যখন নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের একটি দল প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান। তবে কর্মচারীরা অবস্থান চালিয়ে গেলে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
পুলিশি পদক্ষেপের মুখে আন্দোলনকারীরা পিছু হটে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান গ্রহণ করেন। সেখানেও তারা অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করলে দুপুর সোয়া ১টার দিকে পুলিশ পুনরায় বলপ্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পুলিশের ধাওয়ায় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ শাহবাগ এবং অন্যটি বাংলামোটরের দিকে চলে যায়।
প্রেস উইং ফ্যাক্টস স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পুলিশ শৃঙ্খলা রক্ষায় টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করলেও কোনো ধরনের গুলিবর্ষণ বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো নিহতের সংবাদটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা মাত্র। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন