বগুড়া শহরের আটাপাড়া এলাকায় নকল ও ভেজাল শিশুখাদ্য তৈরির অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বগুড়া জেলা কার্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে আটাপাড়ার মেসার্স আবিদ ট্রেডার্সে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং মিশিয়ে শিশুখাদ্য তাল মিসরি তৈরি, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, নকল মোড়কে তাল মিসরি প্যাকেটজাতকরণসহ চানাচুর, সেমাই ও বুন্দিয়া তৈরিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রং ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব অপরাধে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৩, ২৭, ৩২(গ) ও ৩৩ ধারায় মেসার্স আবিদ ট্রেডার্সকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং তা আদায় করা হয়। এ সময় অনিরাপদ শিশুখাদ্য ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ জব্দ করে বিধি মোতাবেক জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে বগুড়া জেলা পুলিশের একটি দল।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বগুড়া শহরের আটাপাড়া এলাকায় নকল ও ভেজাল শিশুখাদ্য তৈরির অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বগুড়া জেলা কার্যালয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে আটাপাড়ার মেসার্স আবিদ ট্রেডার্সে নিষিদ্ধ টেক্সটাইল রং মিশিয়ে শিশুখাদ্য তাল মিসরি তৈরি, অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত, নকল মোড়কে তাল মিসরি প্যাকেটজাতকরণসহ চানাচুর, সেমাই ও বুন্দিয়া তৈরিতে ক্ষতিকর রাসায়নিক রং ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়।
এসব অপরাধে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমাদের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৩, ২৭, ৩২(গ) ও ৩৩ ধারায় মেসার্স আবিদ ট্রেডার্সকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করে এবং তা আদায় করা হয়। এ সময় অনিরাপদ শিশুখাদ্য ও সংশ্লিষ্ট উপকরণ জব্দ করে বিধি মোতাবেক জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. রাসেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে বগুড়া জেলা পুলিশের একটি দল।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন