নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক ক্রয়ের টাকা না পেয়ে বৃদ্ধা শাশুড়িকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে নাজমুল হোসেন হিরা (৪০) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মোটিভ আদালতের নথিসূত্রে জানা যায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল হোসেন হিরা কোনো পেশায় নিয়োজিত ছিলেন না এবং তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন। ২০২৪ সালের ৬ জুন ফতুল্লার উত্তর নরসিংপুর এলাকায় তার শাশুড়ি আম্বিয়া খাতুনের (মৃত সামছুল হকের স্ত্রী) বাড়িতে গিয়ে টাকার দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হিরা বৃদ্ধা শাশুড়িকে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যান।
মামলা ও বিচারিক প্রক্রিয়া এই হত্যাকাণ্ডের পর আম্বিয়া খাতুনের বড় ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম সজীব বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিল করলে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দি গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত এই সর্বোচ্চ সাজার রায় প্রদান করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ রায় ঘোষণার সময় নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, মাদকের ভয়াবহতা কীভাবে একটি পারিবারিক সম্পর্ককে ধ্বংস করে খুনের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, এই মামলাটি তার একটি চরম উদাহরণ। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল হোসেন হিরাকে কঠোর নিরাপত্তায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদক ক্রয়ের টাকা না পেয়ে বৃদ্ধা শাশুড়িকে নৃশংসভাবে হত্যার দায়ে নাজমুল হোসেন হিরা (৪০) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আবু শামীম আজাদ আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মোটিভ আদালতের নথিসূত্রে জানা যায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল হোসেন হিরা কোনো পেশায় নিয়োজিত ছিলেন না এবং তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতেন। ২০২৪ সালের ৬ জুন ফতুল্লার উত্তর নরসিংপুর এলাকায় তার শাশুড়ি আম্বিয়া খাতুনের (মৃত সামছুল হকের স্ত্রী) বাড়িতে গিয়ে টাকার দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হিরা বৃদ্ধা শাশুড়িকে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যান।
মামলা ও বিচারিক প্রক্রিয়া এই হত্যাকাণ্ডের পর আম্বিয়া খাতুনের বড় ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম সজীব বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে চার্জশিট দাখিল করলে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও জবানবন্দি গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত এই সর্বোচ্চ সাজার রায় প্রদান করেন।
আদালতের পর্যবেক্ষণ রায় ঘোষণার সময় নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, মাদকের ভয়াবহতা কীভাবে একটি পারিবারিক সম্পর্ককে ধ্বংস করে খুনের পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে, এই মামলাটি তার একটি চরম উদাহরণ। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত নাজমুল হোসেন হিরাকে কঠোর নিরাপত্তায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন