নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ঘোষিত ৩ দিনের বিশেষ কর্মসূচির আজ শেষ দিন। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই টানা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভে দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়সহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরগুলোতে আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চরম স্থবিরতা বিরাজ করছে।
সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের মধ্যে দাবি আদায়ের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না এলে আন্দোলন আরও কঠোর রূপ নেবে। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে দীর্ঘ সাত বছর বেতন না বাড়ায় কর্মচারীরা যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন, তা তুলে ধরতেই এই প্রতীকী অনাহারী পদযাত্রার ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানান নেতারা।
আজকের কর্মসূচির চিত্র অনুযায়ী, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া গণকর্মবিরতির ফলে সরকারি অফিসগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দেশের সকল দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শুরু হয়। গত ২১ জানুয়ারি বেতন কমিশনের প্রতিবেদন জমা হওয়ার পরও নতুন কমিটি গঠন করে সময়ক্ষেপণ এবং সরকারের একজন উপদেষ্টার সাম্প্রতিক নেতিবাচক মন্তব্যে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারী নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গত ১৫ ডিসেম্বরের সরকারি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হওয়ায় সাধারণ কর্মচারীদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। আজকের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে আগামীকালকের ‘ভুখা মিছিল’ থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক ধর্মঘটের মতো আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে। এতে দেশের সার্বিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত বাস্তবায়ন ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের ঘোষিত ৩ দিনের বিশেষ কর্মসূচির আজ শেষ দিন। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই টানা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভে দেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়সহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি দপ্তরগুলোতে আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চরম স্থবিরতা বিরাজ করছে।
সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আজকের মধ্যে দাবি আদায়ের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না এলে আন্দোলন আরও কঠোর রূপ নেবে। এর অংশ হিসেবে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন ‘যমুনা’ অভিমুখে ‘ভূখা মিছিল’ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে দীর্ঘ সাত বছর বেতন না বাড়ায় কর্মচারীরা যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন, তা তুলে ধরতেই এই প্রতীকী অনাহারী পদযাত্রার ডাক দেওয়া হয়েছে বলে জানান নেতারা।
আজকের কর্মসূচির চিত্র অনুযায়ী, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া গণকর্মবিরতির ফলে সরকারি অফিসগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দেশের সকল দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শুরু হয়। গত ২১ জানুয়ারি বেতন কমিশনের প্রতিবেদন জমা হওয়ার পরও নতুন কমিটি গঠন করে সময়ক্ষেপণ এবং সরকারের একজন উপদেষ্টার সাম্প্রতিক নেতিবাচক মন্তব্যে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
আন্দোলনকারী নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, গত ১৫ ডিসেম্বরের সরকারি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ হওয়ায় সাধারণ কর্মচারীদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। আজকের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে আগামীকালকের ‘ভুখা মিছিল’ থেকে অনির্দিষ্টকালের সর্বাত্মক ধর্মঘটের মতো আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে। এতে দেশের সার্বিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন