ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

খিচুড়ি বিক্রি করছেন অভিনেত্রী মালাইকা, দাম ৮০০ টাকা!


মোস্তফা কামাল
মোস্তফা কামাল হেড অফ ডিজিটাল
প্রকাশ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

খিচুড়ি বিক্রি করছেন অভিনেত্রী মালাইকা, দাম ৮০০ টাকা!

বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা আবারও আলোচনায় এসেছেন, এবার তার রেস্তোরাঁ ‘স্কারলেট হাউজ’ এর খিচুড়ি মেনু নিয়ে। রেস্তোরাঁর মেনুতে মাসালা খিচুড়ির দাম রাখা হয়েছে ৫৫০ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮০০ টাকার সমান। সাধারণত খিচুড়ি একটি সস্তা খাবার হিসেবে পরিচিত, তাই এই দাম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

স্কারলেট হাউজ মুম্বাইয়ের বান্দ্রার একটি ৯০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ বাংগলায় তৈরি করা হয়েছে। রেস্তোরাঁর অভ্যন্তরীণ নকশা ও পরিবেশকে বিলাসবহুল অভিজ্ঞতার জন্য সাজানো হয়েছে। মালাইকা অরোরা তার ছেলে আরহান খান এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে মিলে এই রেস্তোরাঁ পরিচালনা করছেন। এখানে কফি বার, ডাইনিং স্পেস, ওয়াইন রুম এবং বিশেষ হাইড্রেশন বার রয়েছে।

রেস্তোরাঁর অন্যান্য মেনু আইটেমও প্রিমিয়াম। যেমন অ্যাভোকাডো টোস্ট ৬২৫ রুপি, স্যালাড ৭২০ রুপি, বাটার চিকেন ৭৫০ রুপি এবং অ্যান্টি-এজিং ওয়াটার ৩৫০ রুপি। এছাড়া কোল্ড-প্রেস জুস ও অ্যালকোহলিক পানীয়ও পাওয়া যাচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মালাইকার রেস্তোরাঁর দাম নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এটিকে প্রিমিয়াম ডাইনিং অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে মনে করছেন দাম অযথা বেশি। সাধারণ খাবারকে বিলাসবহুল পরিবেশে পরিবেশন করায় দাম স্বাভাবিক হলেও, নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক চলছে।

 মালাইকা রাস্তায় খিচুড়ি বিক্রি করছেন না। এটি তার নিজস্ব উচ্চমানের রেস্তোরাঁর একটি আইটেম, যার দাম লাক্সারি অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


খিচুড়ি বিক্রি করছেন অভিনেত্রী মালাইকা, দাম ৮০০ টাকা!

প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা আবারও আলোচনায় এসেছেন, এবার তার রেস্তোরাঁ ‘স্কারলেট হাউজ’ এর খিচুড়ি মেনু নিয়ে। রেস্তোরাঁর মেনুতে মাসালা খিচুড়ির দাম রাখা হয়েছে ৫৫০ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮০০ টাকার সমান। সাধারণত খিচুড়ি একটি সস্তা খাবার হিসেবে পরিচিত, তাই এই দাম নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

স্কারলেট হাউজ মুম্বাইয়ের বান্দ্রার একটি ৯০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ বাংগলায় তৈরি করা হয়েছে। রেস্তোরাঁর অভ্যন্তরীণ নকশা ও পরিবেশকে বিলাসবহুল অভিজ্ঞতার জন্য সাজানো হয়েছে। মালাইকা অরোরা তার ছেলে আরহান খান এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে মিলে এই রেস্তোরাঁ পরিচালনা করছেন। এখানে কফি বার, ডাইনিং স্পেস, ওয়াইন রুম এবং বিশেষ হাইড্রেশন বার রয়েছে।

রেস্তোরাঁর অন্যান্য মেনু আইটেমও প্রিমিয়াম। যেমন অ্যাভোকাডো টোস্ট ৬২৫ রুপি, স্যালাড ৭২০ রুপি, বাটার চিকেন ৭৫০ রুপি এবং অ্যান্টি-এজিং ওয়াটার ৩৫০ রুপি। এছাড়া কোল্ড-প্রেস জুস ও অ্যালকোহলিক পানীয়ও পাওয়া যাচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মালাইকার রেস্তোরাঁর দাম নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই এটিকে প্রিমিয়াম ডাইনিং অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে মনে করছেন দাম অযথা বেশি। সাধারণ খাবারকে বিলাসবহুল পরিবেশে পরিবেশন করায় দাম স্বাভাবিক হলেও, নেটিজেনদের মধ্যে বিতর্ক চলছে।

 মালাইকা রাস্তায় খিচুড়ি বিক্রি করছেন না। এটি তার নিজস্ব উচ্চমানের রেস্তোরাঁর একটি আইটেম, যার দাম লাক্সারি অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ