ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে একটি মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় নিহতরা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দ্রুতগতিতে যাত্রা করা একটি মোটরসাইকেল এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনের অন্য যানবাহনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একজনের নাম তৌফিক হাসান, তিনি ঢাকার সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা। অপর নিহতের পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, অতিরিক্ত গতি, ট্রাফিক নিয়ম অমান্য এবং এক্সপ্রেসওয়ের আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনুপযুক্ত ব্যবহার এই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে সত্যিকার কারণ নিশ্চিত করতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর এক্সপ্রেসওয়ের ওই অংশে কিছুক্ষণ যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সড়ক ব্যবহারকারীরা বলেন, ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে একটি ব্যস্ত সড়ক হওয়ায় এখানে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের অসাবধানতার কারণে বেশ কিছু মর্মান্তিক ঘটনা ঘটার নজির রয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ ও সড়ক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার পর থেকে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং নিয়মিত টহল কাঁটছে বলে তারা জানিয়েছে।
এর আগে গত কয়েক মাসেও ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীসহ বহু লোক আহত বা নিহত হয়েছে, যা সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগ বাড়িয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর এলাকায় মঙ্গলবার দুপুরে একটি মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় নিহতরা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দ্রুতগতিতে যাত্রা করা একটি মোটরসাইকেল এক পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনের অন্য যানবাহনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একজনের নাম তৌফিক হাসান, তিনি ঢাকার সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা। অপর নিহতের পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, অতিরিক্ত গতি, ট্রাফিক নিয়ম অমান্য এবং এক্সপ্রেসওয়ের আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনুপযুক্ত ব্যবহার এই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে সত্যিকার কারণ নিশ্চিত করতে বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর এক্সপ্রেসওয়ের ওই অংশে কিছুক্ষণ যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সড়ক ব্যবহারকারীরা বলেন, ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে একটি ব্যস্ত সড়ক হওয়ায় এখানে নিয়মিত দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের অসাবধানতার কারণে বেশ কিছু মর্মান্তিক ঘটনা ঘটার নজির রয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ ও সড়ক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ঘটনার পর থেকে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং নিয়মিত টহল কাঁটছে বলে তারা জানিয়েছে।
এর আগে গত কয়েক মাসেও ঢাকা–মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে পৃথক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীসহ বহু লোক আহত বা নিহত হয়েছে, যা সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগ বাড়িয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন