ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ঢাকায় তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র 'মোসাইক': একনজরে সব তথ্য


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঢাকায় তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র 'মোসাইক': একনজরে সব তথ্য


তুরস্ক গমনেচ্ছুদের জন্য সুখবর! ঢাকায় আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র 'মোসাইক' (Mosaic)। বনানীতে অবস্থিত এই আধুনিক কেন্দ্রটি এখন থেকে সরাসরি তুরস্কের দূতাবাসের পক্ষে সব ধরণের ভিসা আবেদন গ্রহণ ও প্রসেসিং করবে। পয়েন্ট বা তালিকা ছাড়া এই কেন্দ্রের অবস্থান, ফি এবং প্রয়োজনীয় নিয়মাবলি নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

অবস্থান ও সময়সূচি নতুন এই ভিসা আবেদন কেন্দ্রটি রাজধানীর বনানী ১১ নম্বর রোডের এম ব্লকের ৭৭ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত। আগ্রহী আবেদনকারীরা রোববার থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাদের আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। উল্লেখ্য যে, এই কেন্দ্রে সরাসরি গিয়ে আবেদন জমা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই; আবেদনের আগে অবশ্যই তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা অগ্রিম সময় বরাদ্দ নিতে হবে।

ভিসা ফি সংক্রান্ত তথ্য ভিসার ধরণ ও মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে ফির পরিমাণে ভিন্নতা রয়েছে। তিন মাস মেয়াদী সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার জন্য খরচ পড়বে ২৪ হাজার ৭৫০ টাকা, যা ছয় মাস ও ১২ মাসের জন্য যথাক্রমে ২৭ হাজার ৬২৫ এবং ৩০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা নিতে চান, তাদের তিন মাসের জন্য ৪১ হাজার টাকা এবং এক বছরের জন্য ৪৬ হাজার ৭৫০ টাকা গুনতে হবে। এছাড়াও ডাবল ট্রানজিট ভিসার জন্য ৩ মাসের ফি ধরা হয়েছে ৩২ হাজার ২৫০ টাকা। মনে রাখা প্রয়োজন যে, এই ফির সাথে কিছু অতিরিক্ত সেবা চার্জও যুক্ত হতে পারে।

অতিরিক্ত সেবা ও খরচ আবেদনকারীদের সুবিধার্থে মোসাইক সেন্টারে বেশ কিছু প্রিমিয়াম সেবা চালু করা হয়েছে। যেমন, কেউ যদি প্রিমিয়াম লাউঞ্জ ব্যবহার করতে চান তবে তাকে অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকা দিতে হবে। এছাড়া আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় হোটেল বা ফ্লাইট রিজার্ভেশনের জন্য ২৫০ টাকা করে এবং বায়োমেট্রিক ফটোর জন্য ২০০ টাকা চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি এসএমএস আপডেটের জন্য ৪০ টাকা এবং ফটোকপি বা প্রিন্টআউটের জন্য প্রতি পৃষ্ঠায় ১০ টাকা করে খরচ পড়বে। সব মিলিয়ে আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যেই এই নতুন কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ঢাকায় তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র 'মোসাইক': একনজরে সব তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


তুরস্ক গমনেচ্ছুদের জন্য সুখবর! ঢাকায় আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে তুরস্কের নতুন ভিসা আবেদন কেন্দ্র 'মোসাইক' (Mosaic)। বনানীতে অবস্থিত এই আধুনিক কেন্দ্রটি এখন থেকে সরাসরি তুরস্কের দূতাবাসের পক্ষে সব ধরণের ভিসা আবেদন গ্রহণ ও প্রসেসিং করবে। পয়েন্ট বা তালিকা ছাড়া এই কেন্দ্রের অবস্থান, ফি এবং প্রয়োজনীয় নিয়মাবলি নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

অবস্থান ও সময়সূচি নতুন এই ভিসা আবেদন কেন্দ্রটি রাজধানীর বনানী ১১ নম্বর রোডের এম ব্লকের ৭৭ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত। আগ্রহী আবেদনকারীরা রোববার থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাদের আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে পাসপোর্ট সংগ্রহের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। উল্লেখ্য যে, এই কেন্দ্রে সরাসরি গিয়ে আবেদন জমা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই; আবেদনের আগে অবশ্যই তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা অগ্রিম সময় বরাদ্দ নিতে হবে।

ভিসা ফি সংক্রান্ত তথ্য ভিসার ধরণ ও মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে ফির পরিমাণে ভিন্নতা রয়েছে। তিন মাস মেয়াদী সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার জন্য খরচ পড়বে ২৪ হাজার ৭৫০ টাকা, যা ছয় মাস ও ১২ মাসের জন্য যথাক্রমে ২৭ হাজার ৬২৫ এবং ৩০ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যারা মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা নিতে চান, তাদের তিন মাসের জন্য ৪১ হাজার টাকা এবং এক বছরের জন্য ৪৬ হাজার ৭৫০ টাকা গুনতে হবে। এছাড়াও ডাবল ট্রানজিট ভিসার জন্য ৩ মাসের ফি ধরা হয়েছে ৩২ হাজার ২৫০ টাকা। মনে রাখা প্রয়োজন যে, এই ফির সাথে কিছু অতিরিক্ত সেবা চার্জও যুক্ত হতে পারে।

অতিরিক্ত সেবা ও খরচ আবেদনকারীদের সুবিধার্থে মোসাইক সেন্টারে বেশ কিছু প্রিমিয়াম সেবা চালু করা হয়েছে। যেমন, কেউ যদি প্রিমিয়াম লাউঞ্জ ব্যবহার করতে চান তবে তাকে অতিরিক্ত ৮ হাজার টাকা দিতে হবে। এছাড়া আবেদনপত্রের সাথে প্রয়োজনীয় হোটেল বা ফ্লাইট রিজার্ভেশনের জন্য ২৫০ টাকা করে এবং বায়োমেট্রিক ফটোর জন্য ২০০ টাকা চার্জ নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি এসএমএস আপডেটের জন্য ৪০ টাকা এবং ফটোকপি বা প্রিন্টআউটের জন্য প্রতি পৃষ্ঠায় ১০ টাকা করে খরচ পড়বে। সব মিলিয়ে আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্যেই এই নতুন কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ