সবেমাত্র মাঘের বিদায়ঘণ্টা বাজতে শুরু করলেও শীতের দাপট এখনই শেষ হচ্ছে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হানা দিতে পারে। এর পাশাপাশি মাসের শেষ দিকে বজ্রসহ বৃষ্টি এমনকি শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
গতকাল রবিবার আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে দেশের উত্তর, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) বয়ে যেতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে কোনো ধরনের ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা নেই। নদী অববাহিকাগুলোতে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য স্থানে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে এবং তা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। তবে এই সময়েই দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে দুই দিন শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধান নদ-নদীগুলোতে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে। শীতের তীব্রতা কিছুটা কমলেও কুয়াশা ও আসন্ন বজ্রবৃষ্টির এই পূর্বাভাস কৃষি ও জনজীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সবেমাত্র মাঘের বিদায়ঘণ্টা বাজতে শুরু করলেও শীতের দাপট এখনই শেষ হচ্ছে না। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হানা দিতে পারে। এর পাশাপাশি মাসের শেষ দিকে বজ্রসহ বৃষ্টি এমনকি শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
গতকাল রবিবার আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে দেশের উত্তর, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা) বয়ে যেতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে এ মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরে কোনো ধরনের ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা নেই। নদী অববাহিকাগুলোতে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যান্য স্থানে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে এবং তা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে। তবে এই সময়েই দেশের কোথাও কোথাও এক থেকে দুই দিন শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রধান নদ-নদীগুলোতে পানির প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে। শীতের তীব্রতা কিছুটা কমলেও কুয়াশা ও আসন্ন বজ্রবৃষ্টির এই পূর্বাভাস কৃষি ও জনজীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন