জনতা ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ১৩৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনা হয়েছে। চার দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনেই রবিবার বিকেল ৪টায় তাকে পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যানে করে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, জনতা ব্যাংক পিএলসির এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ)-এর অর্থ আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করেছে দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, ঋণের আড়ালে বিশাল অংকের এই অর্থ পাচার ও আত্মসাতের রহস্য উন্মোচনে তাকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মোট ১৮টি মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। দুদকের এই রিমান্ডের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আসা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগগুলোর আইনি প্রক্রিয়া আরও গতি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জনতা ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ১৩৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনা হয়েছে। চার দিনের রিমান্ডের প্রথম দিনেই রবিবার বিকেল ৪টায় তাকে পুলিশের একটি প্রিজন ভ্যানে করে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, জনতা ব্যাংক পিএলসির এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড (ইডিএফ)-এর অর্থ আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদক পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।
সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলাটি দায়ের করেছে দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়। তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, ঋণের আড়ালে বিশাল অংকের এই অর্থ পাচার ও আত্মসাতের রহস্য উন্মোচনে তাকে সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।
উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের প্রভাবশালী এই ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতা বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মোট ১৮টি মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। দুদকের এই রিমান্ডের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আসা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগগুলোর আইনি প্রক্রিয়া আরও গতি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন