গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের তালুক শিমুলতলী করাতিপাড়া এলাকায় ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে লালমিয়া (৫৫) নামে এক অটোরিকশা চালক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। নিহত লালমিয়া ওই এলাকার মৃত নালু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতেও লালমিয়া নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। পাশের কক্ষে তার স্ত্রী ও সন্তানরা ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও ঘরের দরজা না খোলায় তার স্ত্রী ও সন্তানদের সন্দেহ হয়। পরে তারা জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরের ভেতর উঁকি দিয়ে লালমিয়াকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কালিয়াকৈর থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুলন্ত অবস্থায় লালমিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের দাবি, লালমিয়া দীর্ঘদিন ধরে ঋণগ্রস্ত ছিলেন। সংসারের খরচ ও ঋণের কিস্তির চাপ সামলাতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, ঋণের চাপই তাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুল ইসলাম জানান, অটোরিকশা চালক লালমিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি থানার সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা লালমিয়ার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের তালুক শিমুলতলী করাতিপাড়া এলাকায় ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে লালমিয়া (৫৫) নামে এক অটোরিকশা চালক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। নিহত লালমিয়া ওই এলাকার মৃত নালু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতেও লালমিয়া নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান। পাশের কক্ষে তার স্ত্রী ও সন্তানরা ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার সকালে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও ঘরের দরজা না খোলায় তার স্ত্রী ও সন্তানদের সন্দেহ হয়। পরে তারা জানালার ফাঁক দিয়ে ঘরের ভেতর উঁকি দিয়ে লালমিয়াকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন।
পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কালিয়াকৈর থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুলন্ত অবস্থায় লালমিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের দাবি, লালমিয়া দীর্ঘদিন ধরে ঋণগ্রস্ত ছিলেন। সংসারের খরচ ও ঋণের কিস্তির চাপ সামলাতে না পেরে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, ঋণের চাপই তাকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য করেছে।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুল ইসলাম জানান, অটোরিকশা চালক লালমিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিষয়টি থানার সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা লালমিয়ার অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন