ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অবৈধ দোকান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সহসভাপতি নুরুল গনি সগীরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস শাকিব এই নোটিশ প্রেরণ করেন। শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নুরুল গনি সগীর সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন যে, গত ২৪ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এর প্রতিবাদে তিনি ২৫ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগকারীকে প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ১২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে চার দিন অতিবাহিত হলেও কোনো প্রমাণ বা চিত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সর্বমিত্র চাকমার দেওয়া পোস্ট ও পরবর্তী বক্তব্যগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর ফলে নুরুল গনি সগীরের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। নোটিশে আরও বলা হয়, কোনো প্রমাণ ছাড়া একজন শিক্ষার্থী নেতাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা দণ্ডবিধি অনুযায়ী মানহানি ও হয়রানিমূলক অপরাধের শামিল।
এই নোটিশের মাধ্যমে সর্বমিত্র চাকমাকে ১০ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে যাতে তিনি প্রকাশ্যে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করেন, মানহানিকর পোস্টগুলো অপসারণ করেন এবং নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। অন্যথায় নুরুল গনি সগীর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার অন্যান্য নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অবৈধ দোকান থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর বক্তব্য ছড়ানোর অভিযোগে সর্বমিত্র চাকমাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার সহসভাপতি নুরুল গনি সগীরের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুস শাকিব এই নোটিশ প্রেরণ করেন। শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নুরুল গনি সগীর সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন যে, গত ২৪ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এর প্রতিবাদে তিনি ২৫ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগকারীকে প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য ১২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে চার দিন অতিবাহিত হলেও কোনো প্রমাণ বা চিত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আইনি নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সর্বমিত্র চাকমার দেওয়া পোস্ট ও পরবর্তী বক্তব্যগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং এর ফলে নুরুল গনি সগীরের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। নোটিশে আরও বলা হয়, কোনো প্রমাণ ছাড়া একজন শিক্ষার্থী নেতাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা দণ্ডবিধি অনুযায়ী মানহানি ও হয়রানিমূলক অপরাধের শামিল।
এই নোটিশের মাধ্যমে সর্বমিত্র চাকমাকে ১০ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছে যাতে তিনি প্রকাশ্যে তার অভিযোগ প্রত্যাহার করেন, মানহানিকর পোস্টগুলো অপসারণ করেন এবং নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। অন্যথায় নুরুল গনি সগীর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাবি শাখার অন্যান্য নেতাকর্মী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন