কিশোরগঞ্জ, ১ ফেব্রুয়ারি: কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় হাওরের সেচ প্রকল্পের একটি ড্রেন থেকে শনিবার ভোরে ৬০ বছর বয়সী মতি মিয়ার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মতি মিয়া উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের ধোবাজোড়া-শিয়ারা গ্রামের তুতি মিয়ার ছেলে। তিনি সম্প্রতি মিঠামইন হিমজুরী নদীর হাওর রক্ষা ও উন্নয়ন বাঁধ নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত এস্কোভেটরের পাহাড়াদার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে মিঠামইন উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের কৃষকরা জমিতে যাওয়ার পথে দুর্গাপুর চরের কান্দা সেচ ড্রেনে রক্তাক্ত অবস্থায় একজনকে পড়ে থাকতে দেখে। তারা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, মৃতদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এলাকায় পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ তৎপরভাবে নজরদারি চালাচ্ছে।”
স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার রাতেও মতি মিয়া নিয়মিত পাহারা দিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। তার অকাল মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
কিশোরগঞ্জ, ১ ফেব্রুয়ারি: কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় হাওরের সেচ প্রকল্পের একটি ড্রেন থেকে শনিবার ভোরে ৬০ বছর বয়সী মতি মিয়ার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মতি মিয়া উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের ধোবাজোড়া-শিয়ারা গ্রামের তুতি মিয়ার ছেলে। তিনি সম্প্রতি মিঠামইন হিমজুরী নদীর হাওর রক্ষা ও উন্নয়ন বাঁধ নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত এস্কোভেটরের পাহাড়াদার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার ভোরে মিঠামইন উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের কৃষকরা জমিতে যাওয়ার পথে দুর্গাপুর চরের কান্দা সেচ ড্রেনে রক্তাক্ত অবস্থায় একজনকে পড়ে থাকতে দেখে। তারা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, মৃতদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এলাকায় পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ তৎপরভাবে নজরদারি চালাচ্ছে।”
স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার রাতেও মতি মিয়া নিয়মিত পাহারা দিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। তার অকাল মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন