‘হ্যাঁ’ ভোটেই রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, জুলাই সনদে রাষ্ট্র কাঠামো সংশোধনের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তার মতে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিলে রাষ্ট্রে প্রকৃত জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং পরিপূর্ণ সংস্কারের পথ সুগম হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, ‘না’ ভোট দিলে এসব সংস্কার বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়ে যাবে। তাই জনগণকে সুস্থ মস্তিষ্কে এবং গভীরভাবে চিন্তা করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রত্যাশা করেন, এই গণভোটের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং সত্যিকার অর্থে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহযোগী মনির হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব।
সভায় দেশের ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধা ও ছাত্র প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা জুলাই সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্র সংস্কারের এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শামিল হওয়ার অনুরোধ জানান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
‘হ্যাঁ’ ভোটেই রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই কথা বলেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, জুলাই সনদে রাষ্ট্র কাঠামো সংশোধনের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তার মতে, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দিলে রাষ্ট্রে প্রকৃত জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং পরিপূর্ণ সংস্কারের পথ সুগম হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন যে, ‘না’ ভোট দিলে এসব সংস্কার বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়ে যাবে। তাই জনগণকে সুস্থ মস্তিষ্কে এবং গভীরভাবে চিন্তা করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তনের পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি প্রত্যাশা করেন, এই গণভোটের মাধ্যমে একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং সত্যিকার অর্থে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহযোগী মনির হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রহ্মপুত্র ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব।
সভায় দেশের ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধা ও ছাত্র প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা জুলাই সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্র সংস্কারের এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে শামিল হওয়ার অনুরোধ জানান।

আপনার মতামত লিখুন