নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একটি চার্জার ভ্যানের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার পাঠকাঠি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—মৃত কোকো পাহানের ছেলে বীরেন পাহান (৩৫), মৃত নরেন পাহানের ছেলে উজ্জল পাহান (৩৮), ঝটু পাহানের ছেলে বিপুল পাহান (২৫), মৃত মাংরা উড়াওয়ের ছেলে সঞ্জু উড়াও (৪৫) এবং ঝটু পাহানের ছেলে বিপ্লব পাহান (২২)। তারা সবাই মহাদেবপুর উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের মহিনগর–নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে চার্জার ভ্যানটি মহিনগর–নূরপুর এলাকা থেকে মহাদেবপুর হাটের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে একটি ডাম্প (ড্রাম) ট্রাক মহাদেবপুর থেকে নজিপুর/পত্নীতলার দিকে যাচ্ছিল। পাঠকাঠি এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত লেনে ঢুকে চার্জার ভ্যানটিকে সজোরে চাপা দেয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় ট্রাকটি নিজের লেন ছেড়ে ডান লেনে চলে আসে। স্থানীয়দের ধারণা, চালক ঘুমঘুম অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন, যার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আবুল কাসেম জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও তিনজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ইমরুল কায়েস বলেন, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গুরুতর আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চলছে আহাজারি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানায়, ঘাতক ট্রাকটি জব্দের চেষ্টা চলছে এবং পলাতক চালক ও হেলপারকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একটি চার্জার ভ্যানের পাঁচ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার পাঠকাঠি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—মৃত কোকো পাহানের ছেলে বীরেন পাহান (৩৫), মৃত নরেন পাহানের ছেলে উজ্জল পাহান (৩৮), ঝটু পাহানের ছেলে বিপুল পাহান (২৫), মৃত মাংরা উড়াওয়ের ছেলে সঞ্জু উড়াও (৪৫) এবং ঝটু পাহানের ছেলে বিপ্লব পাহান (২২)। তারা সবাই মহাদেবপুর উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নের মহিনগর–নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে চার্জার ভ্যানটি মহিনগর–নূরপুর এলাকা থেকে মহাদেবপুর হাটের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে একটি ডাম্প (ড্রাম) ট্রাক মহাদেবপুর থেকে নজিপুর/পত্নীতলার দিকে যাচ্ছিল। পাঠকাঠি এলাকায় পৌঁছালে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত লেনে ঢুকে চার্জার ভ্যানটিকে সজোরে চাপা দেয়। সংঘর্ষের পর ট্রাকটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় ট্রাকটি নিজের লেন ছেড়ে ডান লেনে চলে আসে। স্থানীয়দের ধারণা, চালক ঘুমঘুম অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন, যার ফলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। মহাদেবপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আবুল কাসেম জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও তিনজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ইমরুল কায়েস বলেন, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে গুরুতর আহত তিনজনকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। এ নিয়ে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চলছে আহাজারি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানায়, ঘাতক ট্রাকটি জব্দের চেষ্টা চলছে এবং পলাতক চালক ও হেলপারকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন