সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশে যাতায়াতের একটি বিশেষ সুযোগ নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই উদ্যোগের ফলে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ রুটে একমুখী টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ২০ হাজার ৫০০ টাকা। শুক্রবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান যে হজের সময় বিমানের ফিরতি ফ্লাইটগুলো সাধারণত ফাঁকা থাকে। সেই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে এবার ৮০ হাজার টিকিট সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসীরা উপকৃত হবেন অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রায় ১০০ কোটি টাকারও বেশি অতিরিক্ত আয় করতে পারবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে মদিনা-ঢাকা ও জেদ্দা-ঢাকা রুটে একমুখী সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। আর মদিনা-ঢাকা-মদিনা এবং জেদ্দা-ঢাকা-জেদ্দা রুটে রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া হবে ৪২ হাজার টাকা। বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে এই বিশেষ ভাড়া কার্যকর থাকবে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ থেকে ফেরার ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে ৩০ মে ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই উদ্যোগকে প্রবাসীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে অতীতে অনেক ভালো উদ্যোগ তদারকির অভাবে ব্যর্থ হয়েছে তাই এই বিশেষ সুবিধাটি যেন প্রবাসীরা শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে পান তা নিশ্চিত করতে হবে। এই সাশ্রয়ী ভাড়া মূলত হজ ফ্লাইটের অব্যবহৃত আসনগুলোকে প্রবাসীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে যা বিমানকে লাভজনক করার পাশাপাশি প্রবাসীদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতকে সহজ করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
সৌদি আরবে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সাশ্রয়ী ভাড়ায় দেশে যাতায়াতের একটি বিশেষ সুযোগ নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই উদ্যোগের ফলে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ রুটে একমুখী টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ২০ হাজার ৫০০ টাকা। শুক্রবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান যে হজের সময় বিমানের ফিরতি ফ্লাইটগুলো সাধারণত ফাঁকা থাকে। সেই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে এবার ৮০ হাজার টিকিট সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসীরা উপকৃত হবেন অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রায় ১০০ কোটি টাকারও বেশি অতিরিক্ত আয় করতে পারবে।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে মদিনা-ঢাকা ও জেদ্দা-ঢাকা রুটে একমুখী সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার ৫০০ টাকা। আর মদিনা-ঢাকা-মদিনা এবং জেদ্দা-ঢাকা-জেদ্দা রুটে রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া হবে ৪২ হাজার টাকা। বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে এই বিশেষ ভাড়া কার্যকর থাকবে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত। আর বাংলাদেশ থেকে ফেরার ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে ৩০ মে ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই উদ্যোগকে প্রবাসীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে অতীতে অনেক ভালো উদ্যোগ তদারকির অভাবে ব্যর্থ হয়েছে তাই এই বিশেষ সুবিধাটি যেন প্রবাসীরা শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে পান তা নিশ্চিত করতে হবে। এই সাশ্রয়ী ভাড়া মূলত হজ ফ্লাইটের অব্যবহৃত আসনগুলোকে প্রবাসীদের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে যা বিমানকে লাভজনক করার পাশাপাশি প্রবাসীদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতকে সহজ করবে।

আপনার মতামত লিখুন