রমজান মাসকে সামনে রেখে এবার ভোগ্যপণ্য আমদানিতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তবে পর্যাপ্ত গুদাম সুবিধা না থাকা, লাইটার জাহাজ সংকট এবং খালাসের ধীরগতির কারণে পণ্য সরবরাহে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে ২৩ লাখ ৪৬ হাজার টন ভোগ্যপণ্য নিয়ে ৪৬টি জাহাজ অবস্থান করছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত প্রায় পৌনে ১৩ লাখ টন পণ্য খালাসের অপেক্ষায় ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে গম, যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টন। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ ডাল ও তৈলবীজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টন পণ্য বড় জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
ভোগ্যপণ্য খালাসে ধীরগতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে লাইটার জাহাজের সংকটকে। ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের (ডব্লিউটিসিসি) অধীনে জাহাজের সংখ্যা কমে বর্তমানে ১ হাজার ২২টিতে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১২২টি ভোগ্যপণ্যবাহী লাইটার জাহাজ দেশের বিভিন্ন ঘাটে ১০ দিন থেকে দেড় মাস পর্যন্ত আটকে আছে। অনেক আমদানিকারকের নিজস্ব গুদাম না থাকায় এবং ক্রেতারা সময়মতো পণ্য বুঝে না নেওয়ায় জাহাজগুলো ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া অধিকাংশ ঘাটে সনাতন পদ্ধতিতে পণ্য খালাস এবং শ্রমিক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তবে বড় শিল্পগ্রুপগুলো নিজস্ব ঘাট ও আধুনিক ক্রেন সুবিধা থাকায় এই সংকট থেকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ডব্লিউটিসিসি কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের দ্রুত পণ্য খালাসের তাগিদ দিলেও আধুনিক খালাস ব্যবস্থার অভাব এবং জাহাজের স্বল্পতায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া এই চাপ সহজে কাটছে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
রমজান মাসকে সামনে রেখে এবার ভোগ্যপণ্য আমদানিতে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তবে পর্যাপ্ত গুদাম সুবিধা না থাকা, লাইটার জাহাজ সংকট এবং খালাসের ধীরগতির কারণে পণ্য সরবরাহে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বর্তমানে ২৩ লাখ ৪৬ হাজার টন ভোগ্যপণ্য নিয়ে ৪৬টি জাহাজ অবস্থান করছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত প্রায় পৌনে ১৩ লাখ টন পণ্য খালাসের অপেক্ষায় ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে গম, যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টন। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ ডাল ও তৈলবীজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টন পণ্য বড় জাহাজ থেকে লাইটার জাহাজে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
ভোগ্যপণ্য খালাসে ধীরগতির পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে লাইটার জাহাজের সংকটকে। ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেলের (ডব্লিউটিসিসি) অধীনে জাহাজের সংখ্যা কমে বর্তমানে ১ হাজার ২২টিতে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১২২টি ভোগ্যপণ্যবাহী লাইটার জাহাজ দেশের বিভিন্ন ঘাটে ১০ দিন থেকে দেড় মাস পর্যন্ত আটকে আছে। অনেক আমদানিকারকের নিজস্ব গুদাম না থাকায় এবং ক্রেতারা সময়মতো পণ্য বুঝে না নেওয়ায় জাহাজগুলো ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া অধিকাংশ ঘাটে সনাতন পদ্ধতিতে পণ্য খালাস এবং শ্রমিক সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তবে বড় শিল্পগ্রুপগুলো নিজস্ব ঘাট ও আধুনিক ক্রেন সুবিধা থাকায় এই সংকট থেকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ডব্লিউটিসিসি কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের দ্রুত পণ্য খালাসের তাগিদ দিলেও আধুনিক খালাস ব্যবস্থার অভাব এবং জাহাজের স্বল্পতায় সরবরাহ ব্যবস্থায় তৈরি হওয়া এই চাপ সহজে কাটছে না।

আপনার মতামত লিখুন