ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পিছিয়েছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ ধার্য করেছেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত এই আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় দুষ্কৃতকারীরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় প্রথমে হত্যাচেষ্টা মামলা হলেও হাদির মৃত্যুর পর তা হত্যা মামলায় রূপ নেয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল। তবে মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ওই প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। পুনঃতদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলবদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পিছিয়েছে। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ ধার্য করেছেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ। বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আদালত এই আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় পল্টনের বক্স কালভার্ট এলাকায় দুষ্কৃতকারীরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনায় প্রথমে হত্যাচেষ্টা মামলা হলেও হাদির মৃত্যুর পর তা হত্যা মামলায় রূপ নেয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং আসন্ন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে গত ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল। তবে মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের ওই প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। পুনঃতদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলবদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন