বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর এলাকায় বুধবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকা মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলের দিকে কয়েকজন যুবকের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে জেলা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে চকসূত্রাপুর এলাকার একটি সন্দেহভাজন আস্তানা থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ বিস্তারিত জানায়নি।
এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, চকসূত্রাপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই মাদক কেনাবেচা চলছে। মাদক নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে প্রায়ই গ্রুপভিত্তিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত স্থায়ী ও জোরালো অভিযান চালিয়ে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।
বগুড়া জেলা পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এলাকার মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর এলাকায় বুধবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকা মাদক কারবারিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলের দিকে কয়েকজন যুবকের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে স্থানীয়রা পুলিশকে অবহিত করেন।
খবর পেয়ে জেলা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে চকসূত্রাপুর এলাকার একটি সন্দেহভাজন আস্তানা থেকে বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে পুলিশ বিস্তারিত জানায়নি।
এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, চকসূত্রাপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই মাদক কেনাবেচা চলছে। মাদক নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে প্রায়ই গ্রুপভিত্তিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত স্থায়ী ও জোরালো অভিযান চালিয়ে এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।
বগুড়া জেলা পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলো বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এলাকার মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।”

আপনার মতামত লিখুন