সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ব্যক্তিগত ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তদন্তে জানা গেছে যে রিফাত নিলয়ের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থ সরবরাহ করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত অর্থ নির্দিষ্ট মহলে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি মূল ভূমিকা পালন করতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তিনি এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে রিফাত নিলয় সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন ঢাকার বিভিন্ন ফ্ল্যাট দেখাশোনা করতেন। এসব ফ্ল্যাটের ভাড়া সংগ্রহ করে তা তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল তার প্রধান কাজ। গ্রেফতারের পর তার আর্থিক লেনদেন এবং প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদ ব্যবস্থাপনার নেটওয়ার্ক নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই গ্রেফতারের ফলে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাদের আর্থিক অনিয়মের অনেক গোপন তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ব্যক্তিগত ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তদন্তে জানা গেছে যে রিফাত নিলয়ের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থ সরবরাহ করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত অর্থ নির্দিষ্ট মহলে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি মূল ভূমিকা পালন করতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তিনি এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।
গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে রিফাত নিলয় সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন ঢাকার বিভিন্ন ফ্ল্যাট দেখাশোনা করতেন। এসব ফ্ল্যাটের ভাড়া সংগ্রহ করে তা তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই ছিল তার প্রধান কাজ। গ্রেফতারের পর তার আর্থিক লেনদেন এবং প্রভাবশালী পুলিশ কর্মকর্তাদের অবৈধ সম্পদ ব্যবস্থাপনার নেটওয়ার্ক নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। ডিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই গ্রেফতারের ফলে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাদের আর্থিক অনিয়মের অনেক গোপন তথ্য সামনে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন