বাংলাদেশ সচিবালয়ে অননুমোদিতভাবে এবং জাল পাস ব্যবহার করে প্রবেশের দায়ে দুই ব্যক্তিসহ মোট তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মনিটরিং টিমের নিয়মিত তল্লাশিকালে তাদের আটক করা হয়। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আলিফ শরীফকে ১ মাসের কারাদণ্ড, মো. আশিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং মো. দিদারুল আলমকে ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আটককৃত ব্যক্তিরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে অবৈধ পাসের মাধ্যমে সচিবালয়ে প্রবেশ করেছিলেন। তল্লাশির সময় বিষয়টি ধরা পড়লে তাদের আটক করা হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে একজন সরকারি কর্মচারীকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
ব্যক্তিগত প্রবেশের পাশাপাশি সচিবালয়ে অননুমোদিত যানবাহন প্রবেশ ঠেকাতেও বর্তমানে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্টিকারবিহীন অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ স্টিকারযুক্ত কোনো গাড়ি এখন থেকে সচিবালয়ের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। নিরাপত্তার এই কড়াকড়ি নিশ্চিত করতে মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান জানিয়েছেন, মূলত ‘বাংলাদেশ সচিবালয় প্রবেশ নীতিমালা-২০২৫’ যথাযথভাবে কার্যকর করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান আগামীতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অননুমোদিতভাবে এবং জাল পাস ব্যবহার করে প্রবেশের দায়ে দুই ব্যক্তিসহ মোট তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মনিটরিং টিমের নিয়মিত তল্লাশিকালে তাদের আটক করা হয়। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে মো. আলিফ শরীফকে ১ মাসের কারাদণ্ড, মো. আশিককে ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং মো. দিদারুল আলমকে ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আটককৃত ব্যক্তিরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবালয় নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে অবৈধ পাসের মাধ্যমে সচিবালয়ে প্রবেশ করেছিলেন। তল্লাশির সময় বিষয়টি ধরা পড়লে তাদের আটক করা হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে একজন সরকারি কর্মচারীকেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
ব্যক্তিগত প্রবেশের পাশাপাশি সচিবালয়ে অননুমোদিত যানবাহন প্রবেশ ঠেকাতেও বর্তমানে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্টিকারবিহীন অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ স্টিকারযুক্ত কোনো গাড়ি এখন থেকে সচিবালয়ের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। নিরাপত্তার এই কড়াকড়ি নিশ্চিত করতে মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা ফয়সল হাসান জানিয়েছেন, মূলত ‘বাংলাদেশ সচিবালয় প্রবেশ নীতিমালা-২০২৫’ যথাযথভাবে কার্যকর করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান আগামীতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন